
দশটি কবিতা | তানভিরুল হক রাহাত
হাবশি রঙের পাখি বাসিমুখে চৌদ্দ প্রকার পাখি আমার দৃষ্টির ভিতর কে যে সত্য আর ভ্রম কে এই ভেবে দূরে হলুদ হয়ে আসা পাতা গুনছি জানালার কাছে সাবলীলভাবে মনের ভিতর উড়ে

হাবশি রঙের পাখি বাসিমুখে চৌদ্দ প্রকার পাখি আমার দৃষ্টির ভিতর কে যে সত্য আর ভ্রম কে এই ভেবে দূরে হলুদ হয়ে আসা পাতা গুনছি জানালার কাছে সাবলীলভাবে মনের ভিতর উড়ে

আমাদের স্ক্রিনময়ী জীবন অনর্গল ডিজি-ছবির বন্যায় চিন্ময়। এই নেটেড দর্শনের গ্লোবাল রাজত্ব শুধু আমাদের অবসরকেই শাসন করে না, কোন ছবির ঝাঁক কিভাবে ইন্টারনেট আর স্ক্রিন বেয়ে আমাদের চোখ ধাঁধায়

আগনের শেষ দিক থেকে তীব্র শীত পড়তে শুরু করে । এই হাড়কাঁপানো হিমে আমাকে গোটারাত ফেনির ভিতর, ভারী ইটের গাঁথনির মতন লেপ কম্বল যেখানে অসহায় সেখানে আমার সম্বল কয়েকটা পাতলা

আমার ত এখন দুইটা হার্ট নিজেরে যে একলা ভাবুম ভাবতে গেলেই লাগে যে, আমার ত এখন দুইটা হার্ট! একটা আমার আরেকটা যে কার! আমি খাইলেই যার খাওয়া হয়ে যায় আমি

বিপ্লবস্মৃতি অনেক বিপ্লব জমা পড়ে আছে মনে। হাত ধরে হাটে গিয়ে মাছ কিনে ঘরে ফেরা রাত ফিরে যদি পাই, মনে হবে তরতাজা ছাতিমের মতো শুয়ে থাকা ও-শয়ন ভঙ্গি স্বর-ছন্দে যতবার

শহর আমার শহর এক সবুজ-শরীর আনন্দ উদ্ধত জংলি খুশিভাব পয়দা করে যেই সৌন্দর্য ইতিহাসের পাহাড় আর উপত্যকাগুলায় সেই অপূর্ব প্রাণশক্তি মজুত করা ঝিকমিকা আলো আর ছায়ার বহরে দরগাগুলা রোদে পুড়ে,

১ একটা ঘরে, সন্ধ্যার পরে, যা যা হয় তা যদি জানতে, মন ভরে শান্তে। একটা ঘরে, সন্ধ্যার পরে সকলে নামাজ পড়ে । দোয়া দিয়ে ফুঁ দেয় বোতলে, সেই ফুঁতে আছে

বৃষ্টি থেমে আসে— দু’টি ফুলের ঝরে পড়া দেখে চিত্রময় মন আমার, শস্যময়— সেখানে হেঁটেছি যে কিছুদূর… সেই ছায়া এসে আমাকে বলছে যেন আমিতো শ্রাবণ। সূর্যাতীত বিদায়ে আমি কেন দেখব না

আমাদের স্ক্রিনময়ী জীবন অনর্গল ডিজি-ছবির বন্যায় চিন্ময়। এই নেটেড দর্শনের গ্লোবাল রাজত্ব শুধু আমাদের অবসরকেই শাসন করে না, কোন ছবির ঝাঁক কিভাবে ইন্টারনেট আর স্ক্রিন বেয়ে আমাদের চোখ ধাঁধায় আর

কলকাতার বাতাসেই নাকি ধর্মনিরপেক্ষতার উপাদান আছে। কলকাতায় মুসলমানরা দেদারসে গরুর মাংস খায়। অনেক হিন্দুকেও গরু খাইতে দেখছে নুরুল। মারকুইস স্ট্রিটের উদ্দেশে রওনা দিয়া দমদম স্টেশন থেকে মেট্রোতে চড়ছে মুফতি