
সমগ্রে বিসর্গের হাওয়া | কাজী ওয়ালী উল্লাহ
ফিকে একটা দার্শনিক ভাব নিয়ে জানাবো, গল্পে নায়ক-নায়িকার সংস্কৃত ন্যাকা নাম আমার অপছন্দ এখানে ফ্যানের বাতাসে মাথা ভার হয়ে আছে৷পর্দারা কাঁপতে কাঁপতে চমকে উঠতেছে। রোদ আরেকটু ডিটেইল হচ্ছে, ঘুম খুচরা

ফিকে একটা দার্শনিক ভাব নিয়ে জানাবো, গল্পে নায়ক-নায়িকার সংস্কৃত ন্যাকা নাম আমার অপছন্দ এখানে ফ্যানের বাতাসে মাথা ভার হয়ে আছে৷পর্দারা কাঁপতে কাঁপতে চমকে উঠতেছে। রোদ আরেকটু ডিটেইল হচ্ছে, ঘুম খুচরা

কৌমুদী অন্ধকার প্রতীক্ষার সময়কাল বহুদিনের। যমদূত আসবে বলে নিশুতিরাতে জলের উপর বসে থাকি পা ঝুলিয়ে। গতিময়তা

মাঝেমধ্যে নিজেকেই চিঠি লেখা ভালো। উত্তরের জন্য অপেক্ষা করাও। শহর থেকে দূরে বসে নিজের ঠিকানায়। আমি ও আমার চিঠি। একই বাড়ির দিকে রওনা হব আমরা দুজন। আলাদা পথে। একে অপরের

আম্মা আমারে দৌড়াইতেছেন, আমি দৌড়তেছি সামনে এলপাথাড়ি। পিছে পোলাপাইনের হৈ হল্লা। পোলাপাইন বলতে ছোট বড় সমবয়সী খালাতো ভাই-মামা আর নানুবাড়ির আশেপাশের অনাত্মীয় খেলার সাথীগণ। খালা মামীরা মা-ব্যাটার ইঁদুর বিড়াল দৌড়

এক দরিয়া শূন্যতা সবুজ পাতার মাঝে আশ্চর্য সব আলো। হাওয়াদেরও খুব ছুটোছুটি। গাছদের সাজ তখন অবধি কেউ খুলে নেয়নি। ফুলের রঙ দিয়ে আঁকা হচ্ছে সাম্পান। আকাশের কোথাও কোথাও মেঘ জমছে,