নাস্তিক মুফতি নুরুলের পরিচয় | হুসাইন হানিফ

কলকাতার বাতাসেই নাকি ধর্মনিরপেক্ষতার উপাদান আছে। কলকাতায় মুসলমানরা দেদারসে গরুর মাংস খায়। অনেক হিন্দুকেও গরু খাইতে দেখছে নুরুল।   মারকুইস স্ট্রিটের উদ্দেশে রওনা দিয়া দমদম স্টেশন থেকে মেট্রোতে চড়ছে মুফতি

পরানবায়ু | মাহীন হক

চোখ দুইটা ঘোলাটে, আধবোজা ও নিজের স্যান্ডেলজোড়ার উপর থিতু, যদিও আদৌ কিছু দেখতেছে কিনা কে জানে। সেই চোখে বাইরের কেউ প্রশান্তি কিংবা অবশতা, যেকোনোটাই কল্পনা কইরা বসায়ে নিতে পারতো। সে

পাণ্ডুলিপি থেকে : বৃদ্ধাশ্রম হয়ে ওঠা কফি হাউসটি | অলাত এহ্সান

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৫ এ জ্ঞানকোষ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে অলাত এহ্সান-এর বৃদ্ধাশ্রম হয়ে ওঠা কফি হাউসটি। বইটিতে গল্পসংখ্যা ১০টি। প্রচ্ছদ করেছেন পরাগ ওয়াহিদ। গায়ের মূল্য ৪০০ টাকা। পাওয়া যাবে

পাণ্ডুলিপি থেকে : মরাকটাল | আসেফ আব্দুল্লাহ

অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২৫ এ প্রকাশিত হচ্ছে আসেফ আবদুল্লাহ’র প্রথম গল্পগ্রন্থ মরাকটাল। প্রকাশ করেছে ঐতিহ্য। প্রচ্ছদ করেছেন নাওয়াজ মারজান। বইটি পাওয়া যাবে ঐতিহ্য, প্যাভিলিয়ন ২৮-এ। মনঃসমীক্ষা   ১. বিশ্ববিদ্যালয় হলের সবথেকে

চারটে ময়ূর | আনোয়ারা সৈয়দ হক

ভিড়ের ভেতর দাঁড়িয়েছিল হুমায়ুন। সাধারণত সে ভিড় ভাড়াক্কা এড়িয়ে চলে। এটা তার স্বভাব। অথচ আজকাল দিন এরকম যে ভিড়ের হাত এড়িয়ে চলা বড় মুশকিল। পুরো শহরটাই মনে হয় যেন ভিড়ের

সবুজ পাসপোর্ট | শাহীন আখতার

সুলতান আহমদ দড়ির চৌপায়া ডিঙিয়ে ঘরে ঢোকে। সেই সাথে বৃদ্ধ দাদা রহমতুল্লাহকেও ডিঙিয়ে যায়। পুরা দুয়ারজুড়েই তো রহমতুল্লাহর শয্যা পাতা। তাঁর ছ ফুট দেহটা জোড়া-জাড়ি ছেড়ে আরও বিঘৎখানেক লম্বা হয়ে

হিজল ও চন্দ্রপ্রভার সংহরণ | পাপড়ি রহমান

হিজলফুল হিজলফুল তুমি আমার কানের দুল ভরযুবতী সে হয়ে উঠত ঝমঝমা বাদলার কালে। আর তার শিকড়-বাকড়ের ডানা-পাখনা জলমগ্ন করে দিয়ে খলবলিয়ে বয়ে যাওয়া যে খাল— সে-ও তখন ভর-ভরন্ত। সোমত্ত যৌবনা।

পাখসাট । রাশিদা সুলতানা

বাইরে দাঁড়িয়ে বিপুলা রাত্রিকে আমি উপভোগ করি। এই নিস্তব্ধতা ভেঙে এক অদ্ভুত স্বরে কেউ একজন বলে ওঠে, ‘আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই।’ তাকিয়ে দেখি আমার আশেপাশে কোনো মনুষ্যচিহ্ন নাই।

এমনে আমরা বিশদবসনা | বর্ণালী সাহা

নীল বোনচায়নার পিরিচের একটা কোনা মনে হয় ধু’তে গিয়ে উঠে গিয়েছিল। আমার মাথায় আসছিল ‘চলতা ওঠা পিরিচ’। বিশাখা আস্তে করে বলল ‘চিপ্ড প্লেইট’। আমরা কেয়ারটেকারকে আর কিছু বললাম না। এইদিকে

সঙ্গী | রওনক মিরাশদার

“এই চামড়াপোড়া রোদে বেরোচ্ছিস তাহলে! ওসব কথা বলবার জন্য যেতেই হবে তোকে?” সন্তর্পণে দরজা খুলতে গিয়েও মায়ের কণ্ঠ শুনে থেমে যায় মণীন্দ্রা। বেশ অনেকদিন ধরেই মেয়ে সারাদিন বাসায় কেনো বসে