
গ্রাফিতি সংখ্যার সকল মাল-মশলা
গদ্য : সম্পাদকীয় প্রথাবিরোধী সংস্কৃতি — সাখাওয়াত টিপু বাংলাদেশের গ্রাফিতি — রাজীব দত্ত দেয়াল লিখন থেকে গ্রাফিতি : অবদমিত শাসন বাস্তবতার বিরুদ্ধে হক-কথার সংস্কৃতি — ইমরান

গদ্য : সম্পাদকীয় প্রথাবিরোধী সংস্কৃতি — সাখাওয়াত টিপু বাংলাদেশের গ্রাফিতি — রাজীব দত্ত দেয়াল লিখন থেকে গ্রাফিতি : অবদমিত শাসন বাস্তবতার বিরুদ্ধে হক-কথার সংস্কৃতি — ইমরান

গ্রাফিতি। বিদেশি ভাষার শব্দ হলেও এখন বাংলাতেও শব্দটা বেশ পরিচিত। বড় পরিসরে শব্দটা ব্যবহৃত হয়। অনেকে আমরা গ্রাফিতির সাথে দেয়াল-লেখাকে এক করে দেখি। কিন্তু গ্রাফিতিতে দেয়াল লেখার বিষয়টা ঘটলেও সকল

এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচে পপুলার গ্রাফিতি কোনটা? হালের যারা তাদের সুবোধের কথা প্রথমে মনে আসতে পারে। কিন্তু আরো আগের যারা, যারা নব্বই দশকটা নিজ নজরে দেখেছেন, তারা জানেন আইজুদ্দিনের কথা। হ্যাঁ,

মানস চৌধুরী। লেখক, শিক্ষক, গায়ক, অভিনেতা এবং আরো অনেক কিছু। বেশ কয়েক বছর আগে সুবোধ গ্রাফিতিটা পপুলার হয়ে উঠলে, মানস চৌধুরী সুবোধ নিয়ে একটা ইন্টারভিউ দেন কোনো একটা টিভি চ্যানেলে।

ব্যাঙ্কসির ‘ইঁদুর’ ও আমাদের ‘চিকা’ পশ্চিমা সমালোচক মার্টিন বুলের একটা বইয়ের নাম ‘দিস ইজ নট এ ফটো অপর্চুনিটি’। বাংলা বাক্যে অর্থ দাঁড়ায়— ‘ছবির জন্য উপযুক্ত সময় নয়’। বইটি দুনিয়া কাঁপানো

অন্যান্য গ্রাফিতি থিকা টয়লেট গ্রাফিতি ব্যাসিক্যালি ডিফরেন্ট হইলো স্পেস নিয়া। ওপেন জায়গায় নিজের প্রাইভেট কাজ করার ভিতরে একটা প্যারা আছে। আগের দিনে লোকেরা যে মাঠে বা খালের পাড়ে এই কাজ

পাথরে লিখো নাম…পাথর ক্ষয়ে যাবে বুলেটে লিখো নাম…রক্তে ধুয়ে যাবে বুলেটে লিখো নাম…কার্তুজ খোসা পড়ে রবে দেয়ালে লিখো নাম…নগর পুরসভা এসে মুছে দিয়ে যাবে। দেয়াল এক নাগরিক প্রাকার, পৌরাণিক

গ্রাফিতি কেবলই শিল্প না। এটি একটি বিশেষ ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষা। এবং এই ভাষার সঙ্গে কমিউনিকেট করতে খুব বেশি বেগ পোহাতে হয় না। এই ভাষা কখনো শুধু একটিমাত্র সিম্বল, কখনো একটি শব্দ,

কষ্টে আছি, আইজুদ্দিন… কিশোর বয়সে ঢাকায় বেড়াইতে আইসা দেয়ালে দেয়ালে লেখাটা দেখছিলাম। দেখছি আর ভাবছি, এই আইজুদ্দিনডা কেডা? সে নিজেই কষ্টে আছে, সেইটা মেট্রোপলিসের দেয়ালে দেয়ালে জানাইতেছে? নাকি আইজুদ্দিন বিশেষ

রাতে গুলি লাগে ছেলেটির। সকালে হাসপাতালেই মারা যায় মারিও (ছদ্মনাম)। ওর নামও আমার জানা ছিলো না। পরদিন সিগনাল লাইটের পাশেই কিছু ফুল আর মোমবাতির মাঝে একটা স্কেটবোর্ডে ওর নাম লেখা