
ফুলের সংশয় | শুভ্র সরকার
বৃষ্টি থেমে আসে— দু’টি ফুলের ঝরে পড়া দেখে চিত্রময় মন আমার, শস্যময়— সেখানে হেঁটেছি যে কিছুদূর… সেই ছায়া এসে আমাকে বলছে যেন আমিতো শ্রাবণ। সূর্যাতীত বিদায়ে আমি কেন দেখব না

বৃষ্টি থেমে আসে— দু’টি ফুলের ঝরে পড়া দেখে চিত্রময় মন আমার, শস্যময়— সেখানে হেঁটেছি যে কিছুদূর… সেই ছায়া এসে আমাকে বলছে যেন আমিতো শ্রাবণ। সূর্যাতীত বিদায়ে আমি কেন দেখব না

১ বৃষ্টির মতো; দেখেছি ঝরে তারা, ভেতরে ক্ষত। ২ একটি দিন; কেটে গেলে ঈশ্বর থামান ঘড়ি। ৩ চঞ্চুতে জ্বর, দূরে কিছু ফুল সে খোঁজে ঈশ্বর! ৪ সন্ধ্যার মেঘ; ঢুকেছে আয়নায়

রোজনামচা সারা বছর ষড়ঋতু নিয়ে যে কয়টা রচনা লিখেছি, তাতে বর্ষাকেই স্নেহ দিয়েছি সবচেয়ে বেশি। একটা খালি পৃষ্ঠার মতো পানি জমেছে আমার রোজনামচায়। হাতা গুটানো মেঘলা শার্ট পরে, আমি হেঁটে

বাঙলা কবিতার দ্বিতীয় দশক ২০১১ থেকে ২০২০ সাল। এই সময়ে যে সকল কবি’র আবির্ভাব ও প্রথম কবিতার বই প্রকাশ হয়েছে, তাদেরকেই মূলত দ্বিতীয় দশকের কবি হিসাবে গণ্য করা হয়। এই

মরে গেলে কোথাও একটা সাইকেল থেমে যাবে হঠাৎ বেলের আওয়াজ দুপুরের আড়া-জঙ্গল পার হয়ে ঘুমিয়ে পড়বে আতনা ফুলের মায়ায় খাটিয়ায় শুয়ে শুয়ে মনে হবে আমাকে ভুলিও না, সোনা

কোথাও সন্ধ্যামণির কাছে কুপিটা এতোটুকু তুলে সে দেখে, ঘুমন্ত মেয়ের মুখ! কিছুটা দূর দিয়ে একটা রাতচরা পাখি ডেকে ডেকে উড়ে যায়! নিঝুম উঠোনের পরে নেমে আসা শালপাতা, নিচু স্বরে কথা

ক্ষত – ৩ ঘাসের ভিতরে চ্যাপলিনকে লুকিয়ে রেখেছি বহুদিন। সেল্টা ভিগোর বিমান বন্দরে ভ্রমণকালীন বিরতিতে দেখা হয়ে যায় জীবনানন্দের সাথে। সেকি তুমুল আড্ডা! অথচ ঘাস এবং কুয়াশা ছাড়া জীবনানন্দের অন্য

কে যেন বাবল ফোলায় ইস্কাটনে হয়তো আশার কথা—আসছো জানি পুরনো ছাদের বাসা চোঁয়ায় পানি। এদিকে যাচ্ছে ভিজে মেঝের সমান আমারো থাকল কিছু রোমান হরফ। কলোনি—শিস বাজাচ্ছে গাছের শাখা

এখানে, বনে বনের পাশে এক শুকনো শীর্ণ নদী সেই নদীর পাড়ে ক্ষাণিক বসে দেখি কেমন শান্ত চারপাশ, হালকা শীতে রোদ পোহাচ্ছে বক, জনশূন্যে ঘেরা একটু দূরে মরা পাতার স্তুপ, যেন

শহরের কোথাও ভালো রান্না হচ্ছে না আমাদের হেঁশেলের পায়ায় চাকা লাগিয়ে দিয়েছি সে ঘুরে বেড়ায় গলিতে গলিতে আর অদ্ভুত এক ঘ্রাণে চাঙ্গা হয়ে ওঠে শহরের মেজাজ কয়েন কে যেন