
সনেট সংখ্যা সম্পাদকীয়
অনেকগুলো মাস হলো আমরা একটা অন্তরীণ সময়ে বাস করছি । এক ঋতু থেকে চলে এসেছি অন্য ঋতুতে, অথচ কোথাও যেন উদ্দীপনা নাই, নাই প্রাণের আনন্দ— চারদিকে কেবল মৃত্যু আর মারীর

অনেকগুলো মাস হলো আমরা একটা অন্তরীণ সময়ে বাস করছি । এক ঋতু থেকে চলে এসেছি অন্য ঋতুতে, অথচ কোথাও যেন উদ্দীপনা নাই, নাই প্রাণের আনন্দ— চারদিকে কেবল মৃত্যু আর মারীর

যদিও মহাপয়ারকে ২২/২৬ মাত্রা অব্দি টেনে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব অনেকেই জীবনানন্দ দাশকে দিয়ে থাকেন, কিন্তু সেটিও মূলত রবীন্দ্রনাথেরই। বাংলা ভাষায় সনেটের ইতিহাস খুব বেশি পুরাতন নয়, ফ্রান্সের ভার্সাইতে মাইকেল মধুসূদন

আহ্ ! আয়নার ভিতর থেকে বেরিয়ে এলাম আলোর মেমব্রেন ছিঁড়ে— রইয়ে— সইয়ে— ধীরে— এমন আলগোছে, যেন কোনো কিশোরীর হাইমেন ফেটে গেল স্বপ্নের ভিতর গির্জার স্পায়ার দেখে। বেরিয়ে

১. (উৎসর্গঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত) অক্ষয় বাঙলা, তুমি স্বর্ণগর্ভ- সহস্র ভাষার! আরবি, ফারসি, তুর্কি, পুর্তগিজ, আর্য বা পাহাড়ি ভাষাভাব নিয়ে রঙ্গ করো, আলো নাচাও আশার। কত প্রাণ কত

ভাষা হাতজোড় বসে থাকা এই রাতভর ভোরবেলা বাক্য হয়ে যদি ঝরে পড়ে যদিবা তাতেই পাখি পায় শস্যদানা পায় ফুল ফোটার ইন্ধন, তবে আর তুমুল উৎপ্রেক্ষা কই, কোথায় উপমা— কেন

১. প্রতিটি সকাল যেন প্রসাধন। আমি মুঠো ভরে দিয়েছি তোমায়। তবু সারারাত জেগে-থাকা পাখি ডানায় লুকিয়ে রেখে পৃথিবীর সব মাখামাখি উদভ্রান্ত অপচয় রুখে দিতে চাই। থরে থরে সাজানো পাতায়

১৫. হিউয়েন সাঙ, জনমিশ্রণের এই অত্যাশ্চর্য জরায়ু ও জলবায়ু কোথাও দেখেছ? অত্যাচারী শাসকের চোখ ভেঙেচুরে, আমার রক্ত ও ভাষা পদ্মপাতায় টলমল করে এই শীতার্ত সকালে। ভয় করি না রৌরব।

১. ঈষৎ নদীর ঢেউ কেঁপে কেঁপে ওঠে বাতাসের সাথে বাজে বহু কণ্ঠস্বর নদীটি নারীর মতো ঘরের চৌকাঠে— ফিরে ফিরে আসে—খুঁজে দ্বিধার ঈশ্বর দ্বিধা কি কেবল নাম? না কি চিরন্তন—

কোমলগান্ধার দ্রাবিড় পাখির ঠোঁট চঞ্চু হয়ে যায় সেইখানে অবিরাম নদী ঝরে পড়ে তার মাঝে বিভাজন কাহিনি বানায় সহোদর বিকেলের দাগ ওঠাধরে পাথরের জানালায় নদী মাথা ঠুকে মোহিত হরিণ পাল

অবিরাম কাটছো আশ্বাস বিদীর্ণ মেঘের মুখে খসে পড়া বেদনার ছুরি, আঘাতে আঘাতে মেঘ নিখিলের দিকে ছুঁড়ে পাপ। অনলের বাহু থেকে ঝরে পড়ে চৈত্রের আভাস জন্মান্ধের দীর্ঘশ্বাসে কেনো কাঁদে চোখের