মোস্তফা হামেদীর কবিতা

শহরের কোথাও ভালো রান্না হচ্ছে না আমাদের হেঁশেলের পায়ায় চাকা লাগিয়ে দিয়েছি সে ঘুরে বেড়ায় গলিতে গলিতে আর অদ্ভুত এক ঘ্রাণে চাঙ্গা হয়ে ওঠে শহরের মেজাজ   কয়েন কে যেন

সংযোগ ও অতিক্রমণের মাসুদ খান | মোস্তফা হামেদী

একটা কমন কথা শোনা যায়, মাসুদ খান ‘কসমিক রিয়েলিটি’র কবি। আমি বহুদিন ধরে এই বিষয়ে ভাবছি। বিজ্ঞানের বিষয়-আশয় যুক্ত হওয়াটারে এত বেশি নম্বর দিলে, খানের কবিতার বড় দিক বাদ পড়ে

ফিলিস্তিনকে নিবেদিত কবিতা

ফিলিস্তিন আবির আবরাজ ~   মানবজন্ম পেয়েছি এক, তবুওমনে হয় বাঁচি নাই কভুজন্মের পরপরইমরে মরে গেছি চিরদিনযেনো আমার পরিচয় মুসলিম আরদুনিয়া তামাম ফিলিস্তিন ~ ২. একই সময় দুনিয়ার দুইদিকে দুইটা

অরণ্যের নিজস্ব সুরের টানে | মোস্তফা হামেদী

বৌদ্ধ পূর্ণিমাকেই মনে হয় লোকে গৃহত্যাগী জোছনা বলে। না হয় অচেনার জন্য এমন মন পোড়াবে কেন? জীবনের রহস্যগুলো বয়সের সাথে সাথে রং ওঠা কাপড়ের মতো ফ্যাকাসে হয়ে যায়। ফলে মন

মোস্তফা হামেদীর কবিতা

সেতুদি নদীকে না বলে দিদির পাড়ে স্থাপন করি সম্পর্কের ভিত্তিপ্রস্তর নদী দেখার আগে দিদিকে দেখি বাজারের হাটখোলা দরজায়   সেতুদি—আমার প্রথম নদী—অথৈ ইশকুল হাবুডুবু পাঠে হাতেখড়ি জীবনের ভোর বিহানে  

মোস্তফা হামেদীর ঋতুদের রঙিলা পাখনার গান | জহির হাসান

১. মোস্তফা হামেদীর সহিত ব্যক্তিগতভাবে চিন-পরিচয় ২ দশকের কাছাকাছি। অনেক বিকাল-সন্ধ্যা আমরা এক লগে কাটাইছি। ফলে ওর সাহিত্যমানসটা কেন জানি কিছুটা বুঝি। আমার জীবন ও শিল্প, চিন্তা-ভাবনা প্রায়ই ওর সাথে

কথ্য-অকথ্য ও নানা পথ্য | মোস্তফা হামেদী

বাংলা কবিতার ভাষা বদলে হালে বেশ চাউর একটা বিষয়, কাব্যভাষায় কথ্যরীতির ব্যবহার। এই বিষয়ে আলাপ পাড়ার আগে একটু ইতিহাসের দিকে নজর ফিরাই। আমাদের চর্চিত ভাষার যে গণগ্রাহ্য আদল, তার কিছু

কবিতা কী করে চিনবো | মোস্তফা হামেদী

কবিতা কী করে চিনবো?-এই রকম একটা প্রশ্নকে ঘুরিয়ে বলা যায়, কবিতা লোকে কী করে চেনে? শর্টকার্টে উত্তর দেয়া যায়- লোকে লোকের রুচির মাপে কবিতা চিনে। কথাটারে ঘুরায়ে বলতে পারি, লোকের

কবি জহির হাসানের সাক্ষাৎকার | আলাপকারী : কবি মোস্তফা হামেদী

দশকের হিসাবে জহির হাসান নব্বইয়ের কবি। প্রথম বই প্রকাশ হয় দুই হাজার তিন সালে। এবার প্রকাশিত হলো এগারো নম্বর কবিতার বই। তার আছে নিজস্ব কাব্যভাষা। নম্র ও নিচু সে স্বর।

সনেট সংখ্যা | মোস্তফা হামেদী’র কবিতা

ধোয়া কাচ   গায়ের পশমে মোষ মাখে রোদ—নরম পবন খেরের পারার ফাঁকে শোনা যায় মন্দ্র খুনসুঁটি— হাসির গভীরে যেন ধীরে নুয়ে পড়ে সোঁদা মন আলো আর ছায়া মিলে বাঁধে দুয়ে