
পাঁচটি কবিতা | সোহেল হাসান গালিব
অয়ি চণ্ডি অয়ি চণ্ডি, তোমাকেই বাঞ্ছা করি—হরিতকী, জবা, শালবনে নয়—জনারণ্যে। ডাকে ত্রাসপাখি ওই— সর্বনাশপন্থি বাঁশিটির সুরে। দেখি ধ্যানভঙ্গ রাত্রির নিশ্বাসে শঙ্খ-লাগা দুটি মেঘের চূড়ায় আততায়ী জোছনার তির এসে বেঁধে। ঘুমহীন

অয়ি চণ্ডি অয়ি চণ্ডি, তোমাকেই বাঞ্ছা করি—হরিতকী, জবা, শালবনে নয়—জনারণ্যে। ডাকে ত্রাসপাখি ওই— সর্বনাশপন্থি বাঁশিটির সুরে। দেখি ধ্যানভঙ্গ রাত্রির নিশ্বাসে শঙ্খ-লাগা দুটি মেঘের চূড়ায় আততায়ী জোছনার তির এসে বেঁধে। ঘুমহীন

এবারের বইমেলায় ‘উজান’ থেকে প্রকাশ হচ্ছে কবি সোহেল হাসান গালিবের গদ্যের বই ‘আমার খুতবাগুলি’। সাহিত্যের রাজপথ, চোরাগলি, মিথ, সত্য-মিথ্যা ইত্যাদিকে নিজের কৌতুকীয় ও তীব্র শ্লেষাত্মক ঢঙে গদ্যে রূপ দিয়েছেন গালিব।

ভাষা হাতজোড় বসে থাকা এই রাতভর ভোরবেলা বাক্য হয়ে যদি ঝরে পড়ে যদিবা তাতেই পাখি পায় শস্যদানা পায় ফুল ফোটার ইন্ধন, তবে আর তুমুল উৎপ্রেক্ষা কই, কোথায় উপমা— কেন

প্রমিত ভাষার সীমাবদ্ধতা দুই দিক থেকে। একটা তার ভিতরের দিক, আরেকটা বাইরের। এই ভাষা যেহেতু একধরনের বাছাই ও নির্মাণ, কার্যত তাকে বাদ দিতে হয়েছে অনেক কিছু। যেমন গাছ কেটে তা

ডার্কচেম্বার অসুস্থ হলেই ভালো। এখন এমনই মনে হয়। ধীরে সুস্থে, তর্ক-টর্ক ছেড়ে অন্য কারো ভাবনায় ঢুকে পড়া যাবে। ডার্কচেম্বারের পাশ দিয়ে জানি খালি পায়ে হাঁটা প্রয়োজন। যদি ফলস কোনো শব্দে