মিছিল খন্দকারের কবিতা
কে যেন বাবল ফোলায় ইস্কাটনে হয়তো আশার কথা—আসছো জানি পুরনো ছাদের বাসা চোঁয়ায় পানি। এদিকে যাচ্ছে ভিজে মেঝের সমান আমারো থাকল কিছু রোমান হরফ। কলোনি—শিস বাজাচ্ছে গাছের শাখা […]
মিছিল খন্দকারের কবিতা Read More »
কে যেন বাবল ফোলায় ইস্কাটনে হয়তো আশার কথা—আসছো জানি পুরনো ছাদের বাসা চোঁয়ায় পানি। এদিকে যাচ্ছে ভিজে মেঝের সমান আমারো থাকল কিছু রোমান হরফ। কলোনি—শিস বাজাচ্ছে গাছের শাখা […]
মিছিল খন্দকারের কবিতা Read More »
এখানে, বনে বনের পাশে এক শুকনো শীর্ণ নদী সেই নদীর পাড়ে ক্ষাণিক বসে দেখি কেমন শান্ত চারপাশ, হালকা শীতে রোদ পোহাচ্ছে বক, জনশূন্যে ঘেরা একটু দূরে মরা পাতার স্তুপ, যেন
শহরের কোথাও ভালো রান্না হচ্ছে না আমাদের হেঁশেলের পায়ায় চাকা লাগিয়ে দিয়েছি সে ঘুরে বেড়ায় গলিতে গলিতে আর অদ্ভুত এক ঘ্রাণে চাঙ্গা হয়ে ওঠে শহরের মেজাজ কয়েন কে যেন
মোস্তফা হামেদীর কবিতা Read More »
আদিম পুস্তকে এইরূপে লেখা হয়েছিল বজ্র-বৃষ্টির দিনে— বহুপুরাতন জল ভেদ করে তুমি এলে— পত্রমোচীর নিচে পুদিনা ও মাছ— দরবেশ, তোমার বাসিমুখ তুমি শালপাতায় মুছে আসো— তোমার বাসিগন্ধের মুখ। এইবার— ছাই
হিজল জোবায়েরের কবিতা Read More »
রোহক সবজি বাজার সবজি বাজার এহেন লোমশ— রোহক, তোমাকে বোঝাবার আশ্লেষে যাতায়াত করি শীত ঋতুর গহীনে ওম পরবশ টাটকা ও যথাযথ তার রঙ প্রকট এখানে… যাই-আসি করি দিনেদুপুরেও, দেখি ঢলে
শাহ মাইদুল ইসলামের কবিতা Read More »
সাদা-কালো তাকিয়ে থাকাকেই প্রার্থনার ভঙ্গি করে নিয়েছি। জানালার বাইরে চিরচেনা দিনগুলি; গোধূলি ঘনছাই— বোবা ও বধির হতে হতে সহসা যার দেখা মিলেছিল, সে তো জলে, ধীর তমসায় মুছে যাওয়া
আল ইমরান সিদ্দিকীর কবিতা Read More »
দুখী আমরা আমরা দুজন দুইটা ভিন্ন দ্বীপের মধ্যে আটকা আছি চিরস্থায়ী দুখের সঙ্গে সকাল সন্ধ্যা টাটকা আছি পৃথক পৃথক অপ্রাপ্তিযোগ এই জীবনকে ব্যাকুল করে রাখলো যেন একটা ফেরি একুল থেকে
তানিম কবিরের কবিতা Read More »
ডিম ফাটার মুহূর্ত ফাটবে ফাটবে ক’রেও ফাটতে না পারার যন্ত্রণায় ভিতরে ভিতরে লাল হয়ে ওঠে যে ডালিম তার বেদনার্ত বোঁটায় সে চায়— একটা পাখি এসে বসুক, যার সঞ্চিত
অস্ট্রিক ঋষির কবিতা Read More »
অন্য পৃথিবী ছায়ার ওপর থেকে ছায়া সরে গেলে দৃশ্যত হেরফের নাই ৷ জবুথবু রোদের ভেতর
সালেহীন শিপ্রার কবিতা Read More »
অব্যক্ত সন্ধির দিকে ১. অভেদ আগুন যেন, যেন উড়ন্ত মিথুন শূন্যে উড়ছে—উড়ছে হাওয়া আর জলের ভেতর দিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে— ক্রমাাগত উথাল-পাথাল, ধুম অন্ধকার শাখায় রচিত কুয়াশার ফুল যেন—