নেড়িকুকুর ও তার দৃশ্যাবলী ।। সারাজাত সৌম

প্রতিটি প্রাণের ভেতরই যেন প্রেম একটা মহার্ঘভূত হিসেবে কাজ করে কিংবা তাকে দিয়ে ঈশ্বর তার ভাষার নানান কৌশল পরিচালনা করে থাকেন! তবে মেজাজের দিক দিয়ে কুকুরেরা কম যায় না। এমনকি

মিথোজীবন ।। অলোকপর্ণা

ঘুম থেকে জেগে উঠে রোজ সকালে আমি একটা পাখিকে চায়ে ভিজিয়ে বিস্কুট খেতে দিই। বিস্কুট খেয়ে তবে ডানা ঝাপটিয়ে পাখিটি উড়তে শুরু করে সেদিনের মতো। পাখিটির নাম অভিমান। নিজের উপর

রঙ্গা বঙ্গা ভুতু ।। উপল বড়ুয়া

‘রঙ্গা বঙ্গা ভুতু’ ও ‘কুঁজো বুড়ি’র গল্প প্রথম শুনি বড় বোনের কাছে। তখনও স্কুলে ভর্তি হইনি। গল্প শুনে আমরা তিনভাই ছড়া কাটতাম– ‘আয় আয় তুতু, রঙ্গা বঙ্গা ভুতু’। এরপর কুঁজো

রাতকুকুরের চোখে চোখ রেখে ।। সরোজ দরবার

ঘুমের ছায়া চাঁদের চোখে নামলে বাড়ি ফেরার রাস্তা যেন অখিলবন্ধু ঘোষের গান হয়ে ওঠে। দূর আকাশে তারার গায়ে মিটমিট করে ক্লান্তি। এ বড় মৃদু, নরম সময়। এ বড় সময় খতরনাকও।

লাইকা ।। সোনালী চক্রবর্তী

ধাতব পাত্রের আধার। যাতে ক্লান্তিতে শুতে না পারি, ব্যথায় পাশ ফিরতে না পারি, মৃত্যু এলেও বসে না পড়ি, প্রতিটা অঙ্গ শিকলে বাঁধা যেন একটা নখও সামান্য স্থান পরিবর্তন করতে না

সঙ্গমের মৌসুম ।। রুহুল মাহফুজ জয়

মনা আর মুতু ইশ্-কুল থেকে ফিরতেছিল। বগলে বই নিয়া দুই-দুই চার মাইল রাস্তা হন্টন কইরা প্রত্যেকদিন পড়তে যাইতে ভাল লাগে না। তার মধ্যে পড়া না পারলে মাস্টারের মাইর তো আছেই।

সাথুয়া ।। ফারাহ্ সাঈদ

কষে একটা লাথি মারতে পারলে ভাল লাগতো। এখন’ই। ঠিক পেছনটায়! এতো জায়গা রেখে কিনা এই প্রতিবেশীর বাড়ির দরজায় হিসু করতে হবে! যাক নতুন চাকরি,তাই কিছুই বলছি না। আবার কোনদিক থেকে

স্লেজের শুভ্র বিষদাঁত ।। রেজুয়ান আহমদ

অজানাকে জানার অচেনাকে চেনার আগ্রহ মানুষের স্বভাবজ। তাই আবিষ্কার আর কৌতূহলের নেশা তার ছুটে গেছে মেরুদেশেও। উত্তর-দক্ষিণ তো জয় হলো। তবু মানুষের প্রশ্ন অশেষ বরফের ফুল হয়ে ফুটতে থাকলো। এসব

জয়নুল : অন্য চোখে ।। রাজীব দত্ত

১৯৪৩ সাল। কলকাতা শহরকে ঘিরে না খাওয়া মানুষের ভীড়। সেই ভীড় দেখে একজন সোমনাথ হোড়, একজন চিত্তপ্রসাদের মতোই প্রচণ্ড আলোড়িত হন জয়নুল। মফস্বল থেকে আসা এই শিল্পীর মধ্যে এই মানবসৃষ্ট