
নতুন কবিতার সন্ধানে | ভূমিকা: আন্দালীব
নবীন কবিদের কবিতা পড়ে ১.এমন একটি কথা আমি সবসময়ই বলবার চেষ্টা করেছি যে— ভালো কবিতা বহু লিখিত হয়েছে, বরং ‘ভিন্ন কবিতা’ লেখবার একটা চেষ্টা কবিদের থাকা উচিত। একটা দীর্ঘ সময়

নবীন কবিদের কবিতা পড়ে ১.এমন একটি কথা আমি সবসময়ই বলবার চেষ্টা করেছি যে— ভালো কবিতা বহু লিখিত হয়েছে, বরং ‘ভিন্ন কবিতা’ লেখবার একটা চেষ্টা কবিদের থাকা উচিত। একটা দীর্ঘ সময়

শ তে শব সময় সমান্তরাল এবং বিষাক্ত, আমাদের জানালার পাশে বৃষ্টি নেই, বৃষ্টি নেই চিৎকার। এই সব আলুথালু চিৎকার ও শীৎকারে দম বন্ধ হয়ে আসে। স্মৃতির শাটার খুলে আমরা তিরস্কারের

অর্থ নিরর্থ কোথাও ভাষা লীন হইতেছে অর্থের প্রয়োজনে। শব্দ যত দূ রে মিলিয়ে যায় তত দূ রে মন পেতে রাখতেছে প্রতীক্ষা। কোথাও হাঁটাপথে বহুদিন পর পার হইতেছে জমিনের আইল। আইল

শীতের বরই কখন কোন্ কবিতা যে লেগে যায় মনে আর তখনই হয়ত শীত আর সমস্ত জরা ছেড়ে চেনা সেই পথে আরেকবার হেঁটে আসি। শীতের বরই কুড়াই ধুমপাড়ার রাস্তায়। দুপুরের

অমানুষ এক সার্কাসকর্মী ফাঁকা মাঠে তুলেছে একটা ঘর আর চিৎকার করছে… এই ঘরে অমানুষ আছে অমানুষ আছে অমানুষ… তাকে কেন্দ্র করে অনেক লোকের ভিড় একে একে ঢুকছে
চব্বিশে ডিসেম্বর ৷ দশ‘ই পৌষ ৷ দুই হাজার তিন ৷ রোজ বুধবার ৷ ডিসেম্বর মাস, পিতা তোমাকে মনে পড়ে বন্ধুর কবিতায় কবিতায় আর কতটুকু লিখবো তোমাকে? তোমার

ডিভোর্স চিতায় ওঠার স্বাদ হৈল বিচ্ছেদ, দু‘টি পরিবারও ভাঙে হাঁড়ির খোলার মতো ভাঙনের এগ্রিমেন্ট পেপারে কাঁপছে দু‘টি সাইন অনিবার্য ভবিষ্যতের দিকে চেয়ে— একটি ম্যাজিক লম্ফ ভুলে দৌড়াচ্ছে

আমাকে জাগাবে নীলকন্ঠী পাখির গান— লুপ্তপ্রায় এক বনের কোণে আড়ত পেতে বসে আছি, আমাকে জাগাবে নীলকন্ঠী পাখির গান—গত চল্লিশ বছর আমি তার অপেক্ষায় ইজারায় বসে আছি, ইজারা সে-তো এক বাহানা।

‘মিস করি‘ সিনট্যাক্সের বাইরে, তোমাকে ৪১ আজও জানি না, কোন রঙ বেশি ভালো লাগে! তোমার নামের শব্দ শুনেছি কিছু। হেঁটে হেঁটে আজ এমন সন্ধ্যা পেয়েছি যেখানে তোমাকে ছোঁয়ার উপলক্ষ্য

চলো বহুদূর তার বক্তৃতা শ্রেণি বিভাজন ভাঙার হাতুড়ি দেশ ও জনতাকে নিয়েই ভাবনা যেন দেশ-জনতা একটি গ্রহ উপগ্রহ হিশেবে তার আবর্তন বলছি, আমার বান্ধবী ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী মনীষা পালের