
সনেট সংখ্যা | নির্ঝর নৈঃশব্দ্য’র কবিতা
কোমলগান্ধার দ্রাবিড় পাখির ঠোঁট চঞ্চু হয়ে যায় সেইখানে অবিরাম নদী ঝরে পড়ে তার মাঝে বিভাজন কাহিনি বানায় সহোদর বিকেলের দাগ ওঠাধরে পাথরের জানালায় নদী মাথা ঠুকে মোহিত হরিণ পাল

কোমলগান্ধার দ্রাবিড় পাখির ঠোঁট চঞ্চু হয়ে যায় সেইখানে অবিরাম নদী ঝরে পড়ে তার মাঝে বিভাজন কাহিনি বানায় সহোদর বিকেলের দাগ ওঠাধরে পাথরের জানালায় নদী মাথা ঠুকে মোহিত হরিণ পাল

‘কবিতা তো মক্তবের মেয়ে চুলখোলা আয়েশা আক্তার।’ আল মাহমুদের এই লাইনটা আমাকে প্রথম তীব্রভাবে আকর্ষণ করে। কবিতার নাম ‘কবিতা এমন’। আমি যখন খুব শৈশবে মক্তবে যেতাম আলিফ বা তা ছা

কবি দেলোয়ার হোসেন মঞ্জু সামহয়্যারইন ব্লগে এসেছিলেন ২০০৮ সালের মাঝামাঝিতে, গেওর্গে আব্বাস নামে। তারপর স্বনামে আরেকটা ব্লগ খুলেছিলেন নিজের বইপত্রের কবিতা পোস্ট করার জন্যে। এবং তিনি আশঙ্কা করছিলেন দেলোয়ার হোসেন

সহোদরা ও প্রেমিকার মৃত্যু যে বাতাসে ভেসে তোমাদের দেশে আসি কিছু মদ আর বিষাদ জমিয়ে রাখি বাতাস ঝড় হবে না বলে আমাকে ভাসায় আমি উদ্ভ্রান্ত দিনের পেটে ঘুমিয়ে থাকি

তার কাছ থেকে চলে আসার পর আমার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ যাচ্ছিলো। সারাদিন আমি শুধু রোদে রোদে ঘুরে বেড়াই। আর ব›ধুবা›ধবদের কাছে, পরিচিত, আধাপরিচিত লোকজনের কাছ গিয়ে গিয়ে চাকরি খুঁজি।