‘বাঙালির ছেলে’ হাসান রোবায়েত ও একটি কাব্যগ্রন্থ | তন্ময় ভট্টাচার্য

বেশ-কিছু কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশের পূর্বেই পাণ্ডুলিপি-দশাতে পড়িবার সৌভাগ্য হইয়া থাকে। অগ্রজ, অনুজ বা সমসাময়িকেরা কোন অলীক বিশ্বাসে আমাকে এই সুযোগ দেন, সে-রহস্যের মীমাংসা আজও করিতে পারি নাই। বস্তুত, পাণ্ডুলিপি পড়িবার এক স্বর্গীয় আনন্দ আছে। প্রাক-পূজাপর্বে নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণের মতো। সারা বিশ্ব যে-সুযোগ হইতে বঞ্চিত, আমি তাহার স্বাদ নিতেছি— এ-তৃপ্তির তুলনা নাই। এই অলৌকিক অভিজ্ঞতার নেপথ্যে কবি ও কবিতা ব্যতীত আর কেই-বা! সেই কবিতালিকারই অন্যতম হাসান রোবায়েত। বিগত কয়েক বৎসরে, উহার বেশ কয়েকটি পাণ্ডুলিপি পড়িবার সুযোগ হইয়াছে। বলা বাহুল্য, কবি নিজেই সেই সুযোগ করিয়া দিয়াছেন। আর, লক্ষ করিয়াছি, পরবর্তীতে সে-সমস্ত বই যখন প্রশংসিত হইতেছে, প্রচ্ছন্নভাবে গর্বিত হইয়াছি আমিও। অনাবিল এক আত্মীয়তাবোধ। কারণ বোধকরি সেইসব পাণ্ডুলিপির নির্মাণমুহূর্তগুলির সঙ্গে জড়াইয়া ছিলাম, কবির সঙ্গী হইয়া উঠিয়াছিলাম বলিয়াই।

তেমনই এক পাণ্ডুলিপি, ‘মুসলমানের ছেলে’, হাসান পড়িতে দিয়াছিলেন আমায়। পাঠ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়াখানি আজও মনে পড়ে। ‘এই বই বাংলা সাহিত্যের এক চিরকালীন সম্পদ হয়ে থেকে যাবে।’ বইটি হাতে নিয়া, দ্বিতীয় পাঠের পরও সে-বক্তব্য হইতে মুখ ফিরাইতেছি না। আরও বলিয়াছিলাম, এ-কাব্যগ্রন্থটিকে ঈর্ষা করিব আজীবন। কেন-না, হাসান এমন এক বারুদ লুকাইয়া রাখিয়াছেন পাঁচ ফর্মার ভিতরে, যাহা অতিক্রম করা আমার পক্ষে দুঃসাধ্য।

কবিতার বারুদ কেবল প্রতিবাদেই জ্বলিয়া ওঠে? প্রেমে নহে? কারুকার্য, দক্ষতা ও সর্বোপরি কবিত্ব— যাহা যাহা পাঠকের হৃদপ্রকোষ্ঠে অগ্নিসংযোগ করিতে সক্ষম— সেইসকল গুণাবলিকেই কবিতাবারুদ বলিয়া মনে করি আমি। ‘মুসলমানের ছেলে’ গ্রন্থটির ভিতরেও তাহা সম্পূর্ণরূপে উপস্থিত। হাসান ব্যক্তিগত পরিসরে আমাকে বলিয়াছিলেন, তাঁহার সমস্ত কবিতাই পরিকল্পিত, স্বতঃস্ফূর্ত নহে। বিশ্বাস করি নাই। কেন-না কবিতার ভিতরে যেরূপ প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন তিনি, তাহা পরিকল্পনার দ্বারা হিসাবনিকাশ করিয়া স্থাপন করা অসম্ভব। অন্তরের কবিত্ব নির্দিষ্ট কাঠামোয় সঞ্চারিত হয়, তাহাতে অবশ্য সন্দেহ নাই। হাসান একজন দুর্দান্ত নির্মাণকর্মী— এই কথাও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। অন্তত তাঁহার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঘুমন্ত মার্কারি ফুলে’ হইতে প্রকাশিতব্য বর্তমান পাণ্ডুলিপি অবধি ধারাবাহিকভাবে পড়িয়া এ-প্রতীতি হইয়াছে আমার। কবিতার রাজপথ হইতে চোরাগলি অবধি প্রায় সকল শাখাতেই নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে দক্ষতা আয়ত্ত করিয়াছেন তিনি। সেহেতু, একটি কাব্যগ্রন্থ হইতে আরেকটি কাব্যগ্রন্থে বাঁকবদলও হইয়াছে বিশেষ লক্ষণীয়। যখনই হাসানের কবিতায় পুনরাবৃত্তির বিষয়ে ভাবিয়া অভিমান হইয়াছে, দেখিয়াছি, পরের গ্রন্থেই তছনছ করিয়া দিয়াছেন আমার সে-অভিমান। সংকেতধর্মিতা হইতে প্রাঞ্জলতা— সর্বত্র অবাধ গমনাগমন তাঁর। কবিতাশ্রমিক হিসেবে নিরন্তর পরিশ্রম করিয়াছেন; নিজস্ব ভাষা আয়ত্ব করিয়া, তাহা ভাঙিয়া-চুরিয়া জন্ম দিয়াছেন নূতন কোনো ভাষার। শ্রমিক ও শিল্পী ছাড়া এ সম্ভব নহে। আর এ-পরিশ্রমের ফলস্বরূপ পাঠকপ্রিয়ও হইয়াছেন তিনি, সন্দেহ নাই।

‘মুসলমানের ছেলে’ অদ্যবধি হাসান রোবায়েতের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। কোনো কবিতা অথবা পঙক্তি উদ্ধৃত করিয়া আপনার বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করিব না। আমার বিশ্বাস, একটি কাব্যগ্রন্থ সামগ্রিকভাবে পাঠকের মনে যে আবহ বা অনুরণনের জন্ম দেয়, তাহা বিচ্ছিন্ন কিছু পঙক্তির মাধ্যমে ধারণ করা সম্ভব নহে। ফলত, পাঠক হিসেবে যে সম্পূর্ণ রসাস্বাদন করিয়াছি, চাহিব, অন্যরাও সেই স্বাদসমুদ্রে নিমজ্জিত হউন। বড়জোর গ্রন্থটি সম্পর্কে দু-চার কথা বলিতে পারি, যা পাঠ-পরবর্তী বিশ্লেষণাত্মক মনে ছায়াপাত করিয়াছে।

প্রকাশকঃ ঐতিহ্য

হাসান স্পষ্ট কিছু নির্দেশিত করেন নাই, তথাপি এই গ্রন্থটিকে দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। প্রথমাংশে বিভিন্ন ধরনের কবিতা-সমাবেশ, আর ৩০ নং হইতে ৭২ নং অবধি ৪৩টি কবিতাকে চিহ্নিত করা যাইতে পারে দ্বিতীয় পর্ব হিসাবে। প্রথমাংশের কবিতাগুচ্ছ লইয়া বিশেষ টিপ্পনী রাখিব না, কেন-না, হাসানের অন্যান্য গ্রন্থেও এ-জাতীয় কবিতার উপস্থিতি দেখিয়াছি (দুটি পৃথক কবিতা কখনোই এক হইতে পারে না, এখানে ‘এ-জাতীয়’ বলিতে গঠনগত ও ভাবগত সাদৃশ্যের কথাই বলা হইতেছে)। কিন্তু দ্বিতীয় পর্ব— যাহা ৪৩টি চতুর্দশপদীর সমষ্টি— নূতন এক হাসান রোবায়েতকে আবিষ্কার করিয়াছি সে-পর্বে। আঠারো মাত্রার অক্ষরবৃত্তে এমন নিখুঁত উপস্থাপনা— দুর্লভ নহে, তবে বিস্ময়কর তো বটেই! লক্ষ করিয়াছি, চতুর্দশপদীর কাঠামো বহাল রাখিতে গিয়া অনেকেই কবিতার সঙ্গে আপোস করিয়া বসেন, ফলে সেগুলি নিখুঁত হয় বটে, কিন্তু যান্ত্রিকতায় আচ্ছন্ন হইয়া হারাইয়া যায় কাব্যসুষমাই। হাসানের ‘পরিকল্পিত’ লেখাগুলি সম্পর্কে সে-অভিযোগ খাটে না। মূলত প্রেম ও বিরহকে বিষয় করিয়া জন্ম নিয়াছে চতুর্দশপদীগুলি, আর সেগুলির রন্ধ্রে-রন্ধ্রে হাসান স্থাপন করিয়াছেন আপনার তুরুপ। হাসানোচিত সেইসব চিহ্ন, শব্দ, রূপক-ব্যবহার ব্যতীত এই কবিতাগুচ্ছ এতখানি আকর্ষণীয় হইত না। ‘নির্মাতা’ হাসান জানেন, কবিতার ভারসাম্য কীভাবে বজায় রাখিতে হয়। কোন বাক্য কতটুকু ও কীভাবে বলিলে তাহা মোক্ষম হইয়া ওঠে, কোন শব্দ ও রূপক কোন স্থানে সর্বোচ্চ ব্যঞ্জনা বহন করিয়া আনে। অপরদিকে, এতসব কারুকার্যের পরেও কোন মন্ত্রবলে কবিতার আবহমান হৃদস্পন্দটিকে জাগাইয়া রাখিতে হয়, তাহাও ‘কবি’ হাসানের অজানা নহে। এ-দুইয়েরই যুগলবন্দি ‘মুসলমানের ছেলে’ কাব্যগ্রন্থটি।

এইক্ষণে, খানিক ভিন্ন প্রসঙ্গে আলোকপাত করিতে চাহি। আদৌ এ-বিষয়ে বক্তব্য রাখিবার অধিকারী কিনা, সে-বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রহিয়াছে। তাহার পরও, দ্বিধান্বিত হইয়া এ-প্রসঙ্গ তুলিতেছি। বিভিন্ন মহলে প্রায়ই অভিযোগ শুনিতে পাই, হাসান ধর্মীয় মৌলবাদকে প্রশ্রয় দিতেছেন এবং সেই ভাবধারার বিকাশে প্রছন্ন ও সচেতন ভূমিকা রাখিতেছেন। সংক্ষেপে বলিতে গেলে, হাসান রোবায়েত একজন ‘মৌলবাদী কবি’। তাঁহার বইয়ের নামকরণ ‘মুসলমানের ছেলে’, কিংবা পূর্ববর্তী বই ‘মোহাম্মাদ, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ইত্যাদি সেইদিকেই ইঙ্গিত করিতেছে। এ-প্রশ্ন আমার ভিতরেও যে কখনও উঁকি দেয় নাই, তাহা নহে। বিভিন্ন সময়ে আমিও ভাবিয়াছি, হাসান তাঁহার কবিতায় বারংবার যে-সমস্ত অনুষঙ্গ হাজির করেন (সেই হাজিরা যে সচেতন ও বলপূর্বক প্রয়োগ, তাহাও টের পাই মাঝেমধ্যেই), হাসান কি অন্তরে ধর্মীয় মৌলবাদকে লালন করেন? কবিতাকে অস্ত্র করিয়া পাঠকমহলে ইসলামের ভিত শক্ত করিবার প্রয়াস চালান? নাকি এই-এই ইঙ্গিতের মাধ্যমে একশ্রেণির ধর্মপিপাসু পাঠকমহলে জনপ্রিয়তা লাভই তাঁহার মূল লক্ষ্য?

সমালোচনা ব্যতীত প্রকৃত কারণের মূলে পৌঁছানো অসম্ভব হইয়া ওঠে অনেকক্ষেত্রেই। হাসান সম্পর্কে ভাবিতে গিয়া, আপনার কবিতার প্রতিও নজর দিয়াছিলাম। তথাকথিত হিন্দুধর্ম ও আচারবিধির বহু ইঙ্গিত ও উপকরণ উপস্থিত তাহাতে। তবে কি আমিও প্রচ্ছন্নে পাঠকমনে হিন্দু-ঐতিহ্যকেই প্রতিষ্ঠা করিতে চাহি?

এই জিজ্ঞাসার উত্তর হইতে, হাসানকেও যেন খানিক চিনিতে পারিলাম। আমরা যে-সমাজে বাস করিতেছি, যে আবহ ও সংস্কৃতির মধ্যে দিয়া বাড়িয়া উঠিতেছি, শৈশব-কৈশোরপর্বে পারিবারিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে যে-সমস্ত রীতি-রেওয়াজকে পালনীয় বলিয়া জানিয়াছি, তার একটি বড়ো অংশ ধর্ম হইতে উদ্ভূত হইলেও, ধর্মীয় বন্ধন ছাপাইয়া আরও বৃহৎ প্রেক্ষিতে বিস্তৃত হইয়াছে। সংস্কৃতির ওপর ধর্মের দাবি থাকিলেও, স্বত্ব নাই। জন্মগতভাবে যিনি হিন্দু ও সেই পরিবেশে বড়ো হইয়াছেন, তাঁহার আচার-ব্যবহারে সে-ছাপ থাকিবেই। একইভাবে, জন্মগতভাবে মুসলমান কোনো ব্যক্তির ভিতরেও নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, আর তাহাই স্বাভাবিক। এই হিন্দু সংস্কৃতি ও মুসলিম সংস্কৃতি একত্রিত করিয়া দেখিলে, বাঙালির সংস্কৃতিটিকে চিহ্নিত করিতে পারি। যে-সংস্কৃতিতে একাধিকবার উপরিপাতিত হইয়াছে উভয় ধর্মের গুণাবলি। অতএব, কবিতায় ধর্মীয় ইঙ্গিত ও অনুষঙ্গ উপস্থিত থাকিলে, তাহা আমাদের সংস্কৃতির উত্তরাধিকারকেই চিনিতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে মৌলবাদের অভিযোগ অসাড়। হাসান ইসলামিক পরিবেশে বড়ো হইয়াছেন, তাঁহার চারপাশে সেই ধর্মের অনুরণন শুনিয়াছেন। তাহাই তাঁহার সংস্কৃতি। কবিতায় সেই সৌন্দর্যই ধারণ করিয়াছেন তিনি। প্রগতিশীলদের নিকট সে-বৈশিষ্ট্য দৃষ্টিকটু লাগিতে পারে, কিন্তু কবিতা এইরূপ কোনো প্রতিজ্ঞা করিয়া বসিয়া নাই যে, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির সমস্ত চিহ্ন খসাইয়া আধুনিক পৃথিবীর আধুনিকতর মানব হিসেবে পরিচিত হইতে হইবে। সর্বোপরি, কবিতায় ধর্মীয় অনুষঙ্গের উপস্থিতি থাকিলে সেই কবিও ধার্মিক— এই সরলীকরণও অর্থহীন। এমনও হইতে পারে, কবি ব্যক্তিজীবনে নাস্তিক হইলেও কবিতা রচনাকালীন সময়ে ধারণ করিতেছেন সংস্কৃতির আবহমান ঐতিহ্যকেই। ঈশ্বরবিশ্বাস থেকে শতহস্ত দূরে, সৌন্দর্যবিশ্বাসের স্তম্ভে ভরসা রাখিয়াছে সে-সমস্ত কবিতা।

আমি জানি না, হাসান রোবায়েত কাব্যগ্রন্থটির নাম ‘মুসলমানের ছেলে’ রাখিলেন কেন। নিজের সেই পরিচয়টিকেই কি অগ্রাধিকার দিতে চাহিলেন, নাকি একটি আকর্ষণীয় নাম ও সেই সূত্রে বাংলাদেশের ধর্মবিশ্বাসী জনসমাজের মনোযোগ হরণই ছিল তাঁহার লক্ষ্য। হাসান আপনাকে ‘মুসলমানের ছেলে’ ভাবিয়া গর্বিত হইতেই পারেন, এ তাঁহার অধিকার; আমি কখনো ‘হিন্দুর ছেলে’ বলিয়া আলাদা করিয়া ঘোষণা বা গর্ববোধ করিব না। যাহা সহজ ও স্বাভাবিক, তাহাতে ধর্মের সিলমোহর চাপাইতে আমার রুচি হইবে না, বিশেষত যখন উপমহাদেশে ধর্মকে সাক্ষী রাখিয়া একাধিক সংঘাতের উদাহরণ দেখিতে পাই প্রায়শ। আমি বাঙালির সন্তান, হাসানও তাই— সমস্ত ধর্মীয় সিলমোহরের ঊর্দ্ধে ইহাই হউক আমাদের প্রকৃত পরিচয়। এই প্রসঙ্গে তিক্ত বেশ-কিছু অভিজ্ঞতাও স্মরণে আসিল। পশ্চিমবঙ্গে, বিভিন্ন সময়ে দেখিয়াছি, ‘বাঙালি’ বলিয়া হিন্দুদেরই মূলত চিহ্নিত করা হয়। হিন্দুমানসে ‘বাঙালি’ ও ‘মুসলমান’— এই বিভাজন উপস্থিত স্পষ্টতই। ঐতিহাসিকভাবে দেখিলে, বৃহত্তর মুসলমান জনসমাজ দীর্ঘদিন ধরিয়া আপনার ‘বাঙালি’ পরিচয়ের অগ্রে ‘মুসলিম’ পরিচয়টিকেই হাজির করিয়াছে, ফলে ‘বাঙালি’ ও ‘মুসলমান’— এই বিভাজন বাড়িয়া উঠিয়াছে দৃষ্টিকটুভাবে। বাংলাদেশে এই সমস্যা নাই, সঙ্গত কারণেই। তথাপি হাসানের কাব্যগ্রন্থের নামকরণ (কবিতার ভিতরে থাকা এক বিষয়, আর, গ্রন্থের শিরোনামে উপস্থিতির ব্যঞ্জনা বহুবিস্তৃত) সেই সনাতন ভাবনাটিতেই ইন্ধন জোগাইল কিনা, তাহা সমাজতাত্ত্বিকগণের বিবেচ্য। সর্বোপরি, কাব্যগ্রন্থের নামকরণে এ-জাতীয় কোনো শর্ত আদৌ প্রযোজ্য হইতে পারে কিনা, তাহাও ভাবিয়া দেখিতে হইবে। আমি বঙ্গসন্তান হাসান রোবায়েতের ‘মুসলমানের ছেলে’ কাব্যগ্রন্থে পুনরায় মনোনিবেশ করি বরং।


গ্রন্থ : মুসলমানের ছেলে

প্রচ্ছদশিল্পী : রাজীব দত্ত

প্রকাশক : ঐতিহ্য

প্রকাশকাল : ২০২২

মূল্য : ১৬০ টাকা

লেখা সম্পর্কে মন্তব্য

টি মন্তব্য

%d bloggers like this: