ক্যাপিটালিজম অ্যা গোস্ট স্টোরি (৮ম পর্ব) ।। অরুন্ধতী রায় ।। ভূমিকা ও অনুবাদ: মূর্তালা রামাত ও শারমিন শিমুল

মরা মানুষ কথা বলে

২০১১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ভোর ৩টার দিকে দিল্লী বিমানবন্দরে, যুক্তরাষ্ট্রের রেডিও সাংবাদিক ডেভিড বারসামিয়ান অবতরণের মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ফেরত যেতে বাধ্য হন। সরকারের পরিভাষায় বিপদজনক এই লোকটি- যিনি গণ রেডিওতে মুক্তভাবে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান তৈরি করেন এবং গত চল্লিশ বছর ধরে যিনি ভারতে আসা-যাওয়া করছেন- তিনি উর্দু শেখা এবং সেতার বাজানোর মতো বিপদজনক কাজের সাথেও জড়িত। এই মানুষটি আস্ত বইয়ের সমান বড় একেকটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছেন। তার সাক্ষাৎকারের তালিকায় এডওয়ার্ড সাঈদ, নোওম চমস্কি, হাওয়ার্ড জিন, ইজাজ আহমেদ, এবং তারিক আলীর মতো খ্যাতিমানদের নাম রয়েছে। এমনকী চমস্কি এবং এডওয়ার্ড এস. হারমানের “ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট” এর ওপর ভিত্তি করে বানানো পিটার উইনটোনিকসের ডকুমেন্টারি ফিল্মে বেল-বটম পরা একজন তরুণ সাক্ষাৎকারী হিসাবেও ডেভিড বারসামিয়ানকে দেখা গেছে। সাম্প্রতিককালের ভারত ভ্রমণে তিনি বেশ কিছু কর্মী, অ্যাকাডেমিক, চলচ্চিত্রকার, সাংবাদিক, এবং লেখকের (আমারও) সিরিজ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। কাজের জন্য বারসামিয়ানকে তুরস্ক, ইরান, সিরিয়া, লেবানন, এবং পাকিস্তান পর্যন্ত ছুটে বেড়াতে হয়েছে। কিন্তু এসব দেশের কোনোটি থেকেই কখনো তাকে ফেরত পাঠানো হয়নি।

তাহলে কেন এই নিঃসঙ্গ সেতার বাদক, উর্দু ভাষায় পারদর্শী, বাম-শিক্ষার্থী রেডিও প্রযোজককে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভয় পাবে? বারসামিয়ানের নিজের ভাষায় কারণটি হলো, “পুরো ব্যাপারটিই কাশ্মীরের কারণে হয়েছে। ঝাড়খণ্ড, ছত্রিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ, নর্মদা বাঁধ, কৃষকের আত্মহত্যা, গুজরাটের হত্যাকাণ্ড-, এবং বিনায়ক সেনের ঘটনা নিয়ে আমি কাজ করেছি। কিন্তু ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তার মূলে আছে কাশ্মীর। কাশ্মীর সম্পর্কে অফিসিয়াল বর্ণনার দ্বিমত পোষনকারীর এখানে কোন স্থান নেই।”

গণমাধ্যমে বারসামিয়ানের বিতাড়িত হবার ঘটনা সম্পর্কিত খবরে অফিসিয়াল সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয় যে, তিনি “২০০৯-১০ সালে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারতে এসে পেশাগত কাজ করে তার ভিসার নিয়ম-কানুন ভেঙেছেন।” ভারতে ভিসার নিয়ম-কানুন হলো একটি আকর্ষণীয় পিপহোল বা দরজার ফুটো যা দিয়ে সরকারের উদ্বেগ এবং পক্ষপাতিত্ব সম্পর্কে আগে-ভাগেই জানা যায়। ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী কনফারেন্স অথবা সেমিনারে আমন্ত্রিত স্কলার এবং অ্যাকাডেমিকদের ভিসা প্রদানের আগে নিরাপত্তার ছাড়পত্র নিতে হবে। এই ঘোষণার কারণ হিসেবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পুরোনো জরাজীর্ণ ব্যানারের দোহাই দেয়া হয়ে থাকে। তবে, এ নিয়ম আবার কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ ও ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সুতরাং যে ব্যক্তি বাঁধ তৈরি প্রকল্পে বিনিয়োগ করে  বা স্টিল প্লান্ট তৈরি করতে চায় অথবা কোনো বক্সাইট খনি কিনতে চায় তাকে নিরাপত্তার হুমকি হিসাবে দেখা হবে না বরং একজন পন্ডিত ব্যক্তি কোন সেমিনারে- ধরা যাক, উচ্ছেদ বা সাম্প্রদায়িকতা কিংবা বিশ্বায়নের অর্থনীতিতে উদীয়মান অপুষ্টি বিষয়ক- সেমিনারে অংশগ্রহণ করতে চাইলে তাকে নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে গণ্য করা হবে। খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে আসা বিদেশী সন্ত্রাসীরা নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝে গেছে যে এ দেশে ঢুকতে চাইলে পুরোনো প্যান্ট পরে সেমিনারে অংশগ্রহণের কথা বলার চেয়ে প্রাডা স্যুট পরে খনি কেনার ভান করাটাই বেশি সুবিধাজনক। (কেউ কেউ অবশ্য তর্ক করবে যে প্রাডা স্যুট পরা খনির ক্রেতারাই হলো আসল সন্ত্রাসী।)

ডেভিড বারসামিয়ান কোন খনি কেনার জন্য বা কনফারেন্সে অংশ নিতে ভারতে আসেননি। “অফিসিয়াল সূত্র” মতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি শেষবার ভারত থেকে ফিরে জুম্মু এবং কাশ্মীরের উপর রিপোর্ট করেছেন যা “সত্য ঘটনার উপর  ভিত্তি করে” তৈরি করা হয়নি। মনে রাখবেন, বারসামিয়ান রিপোর্টার (বা সংবাদদাতা) নন, বরং তিনি এমন একজন সাংবাদিক যিনি মানুষের, বিশেষত সমাজে বসবাসরত বিদ্রোহী মানুষের সুদীর্ঘ স্বাক্ষাৎকার নিয়ে থাকেন। তাহলে কি আমরা ধরে নেবো যে, বেড়াতে আসা পর্যটকদের জন্য এ দেশের মানুষদের সাথে কথা বলাটা অবৈধ?

তাহলে, যদি আমি যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ ভ্রমণে গিয়ে যেসব মানুষের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে তাদের নিয়ে লেখালেখি করি তাও কি অবৈধ হবে? এমনকী যদি আমার লেখা “সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে না হয়” তবুও কি তা অবৈধ বলে গণ্য হবে? কোন “সত্য ঘটনা”টি সঠিক এবং কোনটি তা নয়- তার সিদ্ধান্ত কে দেবে? বারসামিয়ান যদি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সামরিকীকরণ এলাকার ((দশ মিলিয়ন জনসংখ্যার জন্য ছয় লক্ষ সক্রিয় সশস্ত্র সৈন্যদল) মানুষের জীবনের সুখ দুঃখের কথা রেকর্ড না করে কাশ্মীর নির্বাচনের চিত্তাকর্ষক পরিবর্তনের প্রশংসনীয় দিক নিয়ে কথোপকথন রেকর্ড করতেন, তাহলে কি তাকে বিতাড়িত করা হতো? অথবা যদি বারসামিয়ানের রিপোর্টটি পরপর তিনটি গ্রীষ্মে সংঘটিত হওয়া নিরস্ত্র গণবিপ্লবের উপর না হয়ে বরং ২০০৫ সালের ভূমিকম্পের পর সেনাবাহিনীর উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে হতো, তাহলেও কি তাকে বিতাড়িত করা হতো? (এবং এইসব গণ বিপ্লব মিডিয়ার অনবরত মনোযোগ আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়নি এবং এগুলোকে কেউ “কাশ্মীরী বসন্ত” বলেও অভিহিত করেনি।)

ডেভিড বারসামিয়ানই একমাত্র ব্যক্তি নন যাকে ভারত সরকারের কাশ্মীর সংশ্লিষ্ট সংবেদনশীলতার কারণে বিতাড়িত হতে হয়েছে। ২০১০ সালে নভেম্বর মাসে সান-ফ্রান্সিসকো থেকে আগত প্রফেসর রিচার্ড শাপিরো নামের এক নৃতাত্ত্বিককেও দিল্লী বিমানবন্দর থেকে কোন কারণ ছাড়াই ফেরত পাঠানো হয়। আমাদের অনেকেই বিশ্বাস করে যে সরকার এই পদ্ধতিতে আসলে প্রফেসর শাপিরোর সঙ্গী অঞ্জনা চ্যাটার্জিকে শাস্তি দিয়েছে। অঞ্জনা চ্যাটার্জি হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড জাস্টিসের সাথে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক গণআদালতের সহ-আহ্বায়ক। এই গণআদালতই সর্বপ্রথম কাশ্মীরের অচিহ্ণিত গণকবরের অস্তিত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এ বছরের প্রথম দিকে ২৮ মে, ভারতীয় গণতান্ত্রিক অধিকারের স্পষ্টবাদী কর্মী গৌতম নভলাক্ষাকেও শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে দিল্লীতে ফেরত পাঠানো হয়।( কাশ্মীরের প্রাক্তন মূখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহর মতে গৌতমকে ফেরত পাঠানোটা কোন অন্যায় ছিল না। তার ভাষায় গৌতম নভলকক্ষা অথবা আমার মতো লেখকদের নাকি কাশ্মীরে ঢোকার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ, আর যাই কিছুই হোক না কেন- “কাশ্মীর জ্বলে পুড়ে ছাই হবার জন্য নয়”।) কাশ্মীরকে এখন বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়া চলছে। বর্হিবিশ্ব থেকে কাশ্মীরকে সম্পূর্ণ সংযোগহীন করার জন্য একই কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসা দুটি সীমান্ত নিরাপত্তা বলয় – দিল্লী এবং শ্রীনগরের সাহায্য নেয়া হচ্ছে। প্রক্রিয়াটি দেখে মনে হয় কাশ্মীর যেন ইতিমধ্যেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এবং সেই রাষ্ট্রের জন্য রয়েছে নিজস্ব ভিসা ব্যবস্থা। অবশ্য কাশ্মীর সীমান্তে সরকার এবং সেনাবাহিনীকে অবাধ বিচরণের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। কাশ্মীরের সাংবাদিক এবং সাধারণ জনগণকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঘুষ, হুমকি, ব্ল্যাকমেইলসহ বিস্তৃত পরিসরের অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার যে মারাত্মক সমাহার অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সৃষ্টি করা হয়েছে, বলা যায়- তা প্রায় শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

সরকার যখন জীবিতদের নিশ্চুপ করার চেষ্টায় মত্ত, তখন অন্যদিকে মৃতদের মুখ খুলে যাচ্ছে। প্রাদেশিক মানবাধিকার সংস্থা শেষ পর্যন্ত লজ্জাজনক এক আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় কাশ্মীরের তিনটি জেলায় সাতাশশো বেনামী কবরের অস্তিত্ব স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। এমন সময়টাতে বারসামিয়ানের কাশ্মীর ভ্রমণের পরিকল্পনা সরকারের চোখে অবশ্যই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। অন্য জেলাগুলো থেকেও হাজার হাজার কবরের অজস্র খবর পাওয়া যাচ্ছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সামনে ভারত যখন তার মানবাধিকার রেকর্ড পর্যালোচনার জন্য অপেক্ষা করছে, ঠিক সে সময়ে এসব বেনামী কবরগুলো একেবারেই দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো ভারত সরকারকে বিব্রত করে তুলেছে।

প্রশ্ন হলো, বিপদজনক এই  ডেভিড বারসামিয়ান ছাড়া আর কাউকে কি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রটি  ভয় পায়? উত্তর হিসেবে এক্ষেত্রে, ২০১১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হওয়া ছত্রিশগড়ের দান্তেওয়াদা এলাকার তরুণ আদিবাসী লিঙ্গারাম কদপীর নাম বলা যেতে পারে। পুলিশের বক্তব্য- লোহা খনির কোম্পানি ইস্সারের প্রতিনিধির কাছ থেকে ভারতের নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিউনিস্ট দলের (মাওবাদী) পক্ষে চাঁদা দেবার সময় ঐ তরুণকে একটি বাজারের কেন্দ্র থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ছেলেটির খালা সোনি সুরির বক্তব্য সাদা বোলেরো-তে চড়ে সাদা পোশাকের একদল পুলিশ তার ভাগ্নেকে পালনার গ্রামে তার নানা বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। এখন সোনি সুরি নিজেও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।আশ্চর্যজনকভাবে এবং পুলিশের নিজেদের ভাষ্যমতে, লিঙ্গারামকে তারা গ্রেফতার করলেও অন্য মাওবাদীরা ঠিকই পালিয়ে যাবার সুযোগ পেয়েছে। লিঙ্গারামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সমস্ত অদ্ভূত এবং প্রায় কল্পিত ধারাবাহিক অভিযোগের মধ্যে এটাই সর্বশেষ অভিযোগ যা শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। মূলত, এই তরুণের প্রকৃত অপরাধ হলো, সেই একমাত্র সাংবাদিক যে আঞ্চলিক ভাষা “গোন্দি”-তে কথা বলতে পারে; ছত্রিশগড়ের দান্তেওয়াদা- যেটি ভারতের আরেকটি যুদ্ধ এলাকা এবং যেখান থেকে কোন খবর বের করা নিষিদ্ধ সেই অঞ্চলের দূর্গম বনপথে কী করে যোগাযোগ করা যায় সেটা লিঙ্গারামের জানা।

সরকার কেন্দ্রীয় ভারতের বিশাল ভূখন্ডের আদিবাসীদের জন্মভূমিকে গোপন সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে খনি ও অবকাঠামো সংশ্লিষ্ট বহুজাতিক কর্পোরেশনের কাছে ধারাবাহিকভাবে হস্তান্তর করে চলেছে। এটি দেশের আইন ও সংবিধানের সম্পূর্ণ পরিপন্থী একটি পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপকে সুদৃঢ় করতে সরকার ঐ সব এলাকার বনভূমিতে কয়েক লক্ষ সেনার রক্ষীবাহিনী নিযুক্ত করার কাজও শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, সরকারের কাজের প্রতি যেন কেউ বাধার সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য ঐ অঞ্চলে সশস্ত্র এবং নিরস্ত্র নির্বিশেষে সমস্ত বিদ্রোহী দলকে “মাওবাদী” হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়। (কাশ্মীরে অবশ্য “জিহাদী জঙ্গী” কথাটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।) গৃহযুদ্ধ যতো মারাত্মক আকার ধারণ করছে, ততোটাই ভয়াবহভাবে শত শত গ্রাম পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়া হচ্ছে। হাজার হাজার আদিবাসী মানুষ পার্শ্ববর্তী প্রদেশে শরণার্থী হিসেবে পালিয়ে গেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ বনভূমির ভেতরে লুকিয়ে থেকে এক মহা আতঙ্কের ভেতর দিন কাটাচ্ছে। আধা-সামরিক বাহিনী জঙ্গল দখল করে রেখেছে। পুলিশের গুপ্তচরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গ্রামের বাজারগুলোতে অনবরত টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে, ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় রসদ আর ওষুধপত্র আনার জন্য বাজারে যাওয়াটা গ্রামবাসীদের জন্য এখন এক দুঃস্বপ্নের মতো ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাষ্ট্রের বিপক্ষে জনতাকে ক্ষেপিয়ে তোলা এবং রাষ্ট্রদ্রোহী যুদ্ধ করার অভিযোগে অজানা সংখ্যক বেনামী বন্দীতে জেলগুলো ভরে গেছে। এসব বন্দীদের পক্ষাবলম্বনের জন্য কোন উকিল পর্যন্ত নেই। ঐসব জঙ্গলের ভেতর থেকে খুব সামান্য খবরই বের হয়ে আসে। আর সেসব খবর কেউ গোনার মধ্যে ধরে না। (চলবে)

 

৭ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

 

গ্রন্থ: ক্যাপিটালিজম অ্যা গোস্ট স্টোরি
লেখক: অরুন্ধতী রায়
অনুবাদক: মূর্তালা রামাত ও শারমিন শিমুল

[বইটি বাংলা ভাষায় ধারাবাহিক প্রকাশ হতে থাকবে; প্রতি শুক্রবার।]

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!

Discover more from

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading