home বই পরিচিতি মাহবুব অনিন্দ্য’র ‘অপার কলিংবেল’ পাণ্ডুলিপির কবিতা ও কবি’র গদ্য

মাহবুব অনিন্দ্য’র ‘অপার কলিংবেল’ পাণ্ডুলিপির কবিতা ও কবি’র গদ্য

‘কবিতা লেখা অত সহজ কাজ না’— দাগেস্তানের কবি রসুল গামজাতভ ব’লেছিলেন একথা। কিছু পরে আবার বলেছেন, ‘কবিতা লেখা অত কঠিন কাজও না’। তার মানে, কবিতা লেখা একইসাথে কঠিন ও সহজ। যেমন পাহাড়ে ওঠা। অনেকের কাছে কঠিন। আবার অনেক মানুষ তরতর করে উঠে যায় শীর্ষে।
 
শুধু লেখা কেন, পড়ার ব্যাপারটাও কি কম কঠিন? লিখতে গেলে পড়তেও হয়। শিখতে হয় এর ভাষা। মাঝে মাঝে এও মনে হয়, এই যে পড়ালেখা-লেখাপড়া খেলা— বাস্তব খেলাধুলার মতো, ফিজিক্যাল ও মেন্টাল ফিটনেস দাবি করে কি-না। লেখার জন্য বিশেষ কোনো সাহস লাগে কি? সাধনা কি দরকার হয়? যৌথতা?
 
না-কি উল্টোটা? দুর্বলচিত্ত মানুষ, নির্জন ও নিঃসঙ্গ মানুষ কি লিখতে পারে পুদিনার পাতা ছুঁয়ে বরফঘন অনুভবের গান? ঘোড়াদের হাতঘড়ি চেনার অভিজ্ঞান বা অভিঘাত? ক্রমশ তুচ্ছতা ঘিরে ধরে, সারাক্ষণ ভয় দেখায় পিস্তল ও পরাভবের। আমি চোখ বন্ধ ক’রে সামনে এগোতে থাকি। অন্ধকারে ঘুম ভেঙ্গে গেলে হাতড়ে ফিরি নিজস্ব কামান-বন্দুক। চারপাশে উজ্জ্বল-বর্তুল-শক্ত মানুষের ভীড়ে আমার এতটুকু লেখাপড়া কোনো কাজেই আসে না। অক্ষর ও আধুলির পাশে মাথা নিচু ক’রে ব’সে থাকি। শব্দে ও কুহকে মৌন গোধূলি পেরোনোর চেষ্টা করি। বুঝি এ এক নিদারুণ ব্যর্থ অভীপ্সা। অনেকটা ‘জেনেশুনে বিষপান’ ক’রে ধ্বংসযজ্ঞ এগিয়ে চলে। পেছনে মুহুর্মূহু গুলিবোমার আওয়াজ শুনে আর পেছানোও হয় না।
 
পেছনে কত ভাব ও ভাষা, ভণিতা বা ভঙ্গিমা; সব শুনে যতটা চমকে উঠি, তার বেশি ভয় ও ভাবনা হয়। ভাষা ও ভণিতা না জেনে, ভাব ও ভঙ্গিমার খাতা শূন্য রেখে এ চলাচল ও চঞ্চলতা হয়ত কোনো তাৎপর্যই বহন করে না। কতটা জানি আমি জবাফুল? কিভাবে পেরিয়ে যাব নিঃসঙ্গতার পাশে মৃত কুকুর? আর, ধানক্ষেতে আগুন দিয়ে খই ফোটানোর সাধনা করা বিজ্ঞ মানুষদের?
 
সমুদ্রের কান্নাকে কী ক’রে নুড়িপাথরে অনুবাদ করা যায়, তাই আজ ব’সে ব’সে ভাবি। এক এক ক’রে মনে আসে তুলোবীজের নিহিত মাধুর্য, অপরাহ্ণের স্মৃতি-বিস্মৃতি, পুতুলের বাড়িঘর-আত্মীয়স্বজন, জীবিত ও মৃত নদীর কথা। আর আয়ুর প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা খরগোশ; যে কি-না আমার ও আমাদের সব নীরবতা চিবিয়ে খায় আর বলে, ‘ভালো খেলতে শিখলেই আপনি জিতবেন না। হারজিৎ বিষয়ে যথেষ্ট নমনীয় ধারণা থাকা চাই।’
 
‘অপার কলিংবেল’কে বলা যায় সেরকম নমনীয় এক মেটাফিজিক্স। একটা জার্নি ও জর্নাল। কতক জিগীষা ও জিঘাংসা। কেননা, দুর্বল মানুষ হনন করতে পারে না। এজাতীয় কবিতাপ্রচেষ্টা তাই নিরর্থ এক জীবনবীমা প্রকল্প। বিবিধ গুপ্ত ভয় ও ভায়োলেন্সের মধ্য দিয়ে সামনে এগোনো। বাঁচামরা।


       পাণ্ডুলিপি থেকে কবিতা

 

কোমল গান্ধার
একটি মারাত্মক আনন্দের পাশে শুয়ে আছে অগুনতি মিথ্যা ও মিথ। বরফ ও সমুদ্রের দিকে যাবার কথা ছিল, চোখ খুলে দেখি শ্বেতভল্লুক— স্বর্ণলতিকায় জড়ানো এ শরীর। এবার তুমিও পেরিয়ে আসো জুয়াড়ি ও নিদ্রার জঙ্গল। নাশপাতি বনের জোনাকিরা অন্ধকার ও আয়ু নিয়ে ছেলেখেলায় মেতেছে। সুদূর কালো বিড়াল, মাথায় টোপর পরো এবার— আর পুংকেশর আর একশো হাত মিথ্যার লেজ। তোমাকে মানাচ্ছে না আর এই ঘন উপবন। অশ্বমেধের ঘোড়া আনো এবার। শীতকাল চলে আসছে, ডিঙি নৌকা আনো। কোথায় তোমার ঋত্বিক ঘটক? জিয়নকাঠি? কোথায় অত্যাগসহন? কোথায় কাচের পুতুল? অ্যালিস ইন দ্য ওয়ান্ডারল্যান্ড?

বিধ্বস্ত মোমের পাশে কে যেন ফেলে গেছে ধ্রুপদী গান। দেশলাই কাঠির সৌধগুলো তোমার হাহা-হিহি’র কাছে করুণ-ম্লান আজ। গোপন আস্তাবলের কাছে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছে মিথ্যার উড়োজাহাজ। বালকেরা এক লাফে পার হচ্ছে নির্জনতা। কামিনী ফুলের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকছে অস্তমান সূর্য। যুদ্ধফেরৎ সৈনিকের কাছে জলীয় বাষ্প ধার নিচ্ছে পিপাসার্ত মেঘ। ওখানে কে ডাকে হাওয়া? কে নিয়ে যায় বিভীষিকা? কে অবিমৃষ্যকারিতা? কারা উনপঞ্চাশবায়ু? কার পাশে ব’সে থাকো হরিণ? কাকে ডাকো নায়াগ্রা? কোন্ ছায়া ঘিরে আছে শাশ্বত ফুলের সমাধি? কোন্ দিকে ঝঞ্ঝা? কার চোখে ঝাউবন? কোথায় ঘুঙুর? কে আছে ঘূর্ণন? কে কারুবাসনা? কারা কোমল গান্ধার?

 

 

তলস্তয়
আড়ানি লোকাল স্টেশনের কাছে
তলস্তয়ের লাশ পড়ে আছে

 

 

সান্ধ্যবিচ্ছেদ
‘আওয়ার সুইটেস্ট সংস আর দো’জ দ্যাট টেল অব স্যাডেস্ট থট’, বড় বেদনার মতো বেজেছ তুমি হে আমার প্রাণে। আসুন আমরা কবরস্থানের নির্জনতায় ব’সে বেদনা থেকে মধুর প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করি। এসকল রাত্রিবেলা কবরে তারাফুল ফুটে থাকে। আপনারা জানেন ঠাকুর ও শেলি দুজনেই দুঃখবাদী কবি। কবিরা নাকি মিথ্যুকের একশেষ! একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, রবীন্দ্রনাথ একজন বিশ্বমিথ্যাবাদী লোক। তুমি কবি না হয়েও দিনভর কীভাবে এত মিথ্যা ব’লে যাও? এ বিষয়ে আমার চিন্তাগুলো কোনো গাছপাথর পায় না। আজই আমি বালিশের তুলা সরিয়ে পাথর ভরেছি যাতে মৃত্যুর মুহূর্তটি সুপ্রচুর আরাম বয়ে আনে। অনেকদিন আগে আমি শিমুলফুলের নাম ভুলে গেছি। শেষ কবে মাটি ও ঘাসে পা রেখেছি মনে নেই। বকুলফুল কি মানুষের গানের ভাষা বুঝতে পারে?

এখন আমি একটি কচিপাতার কৃষ্ণচূড়া গাছ আঁকবো। এতে কোনো ফুল থাকবে না। তোমার মিথ্যা ও মিথগুলো ঝুলিয়ে রাখবো সেই গাছে। সবাই বলবে গাছে এত আত্মহত্যা ঝুলে আছে! আত্মহত্যাগুলো আগে নির্জনতা খেয়ে বাঁচত। এখন তারা জীবনানন্দের কবিতা পড়ে। সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতো সন্ধ্যা নামে। সন্ধ্যাকাল একপ্রকার সংক্রামক ব্যাধি। আপনি কি কখনো সন্ধ্যানদীর তীরে বেড়াতে গেছেন? মানুষ এক নদীতে দুবার সাঁতার দিতে পারে না। সময় ও নদীর সম্পর্ক নিয়ে যত গল্প আছে তার কতটুকু আপনি পড়েছেন? এটুকু পুঁজি নিয়ে আপনি পাথুরে পাহাড়ে উঠবেন? ‘জীবন এক নান্দনিক পরিহাস’ বাক্যটি মিথ্যাভাষায় অনুবাদ করুন। অক্ষরবৃত্তে ‘গান্ধর্বী’ কয় মাত্রা? আপনার ঘুমানোর সময় ঘনিয়ে এলো। ‘আলো নেই’ বাক্যটির সান্ধ্যভাষাবিচ্ছেদ করুন। মানুষ ম’রে গেলে কল্যাণ হয় জানেন তো?

 

 

 

সৌরসম্ভাবনা
দমকা হাওয়ার সাথে কিছু মৌন ধুলি আসে ভেসে; এসকল শ্বাস থেকে আয়ু নিয়ে এক-একটা কৃষ্ণচূড়া পেরিয়ে যাবো বনমালী। এ-শহরে আজ না কি রক্তবৃষ্টি হবে! লটকন গাছের কাছে গিয়ে দাঁড়াবো না আর। এই ঢং ঢং ঘণ্টা, প্রপিতামহের গলার আওয়াজ, হ্রেষাধ্বনি, হাপরের শব্দ— কোথায় রাখি এতসব পরার্থ ও প্রার্থনা?

গোপন সিল্যুয়েট থেকে এবার উঠে আসো হে মহাত্মা কাঠের ঘোড়া। দ্যাখো ভূগোল ডুবে যাচ্ছে— উত্তর ছুটে যাচ্ছে দক্ষিণে, পশ্চিম অস্ত যাচ্ছে পুবের সমুদ্রে। তোমার মিথ্যাবাক্স থেকে মুছে ফেলো আমার স্বর্ণগোধুলি। কেটে দাও আলোক ও অক্ষর।

এ প্রলম্বিত ছায়াসেতু পেরিয়ে কোন্ দূরে যাবো? যেকোনো বৃক্ষের কাছে কথার বদলে কি আর পাবো সুর ও সান্ত্বনা? কত দূরে রাঙতার বন? কোন পশ্চিমে লুপ্ত আমাদের সৌরসম্ভাবনা? কোন মাঠে ছড়িয়ে থাকে চিরকবিতাঋতু?

এ বিচিত্র বাগান ও বিন্যাস থেকে তেতুলপাতা ও লবণ ছাড়া কিচ্ছু নেবো না আমি। তিতা ও তিতিক্ষা ছাড়া কী থাকে আর? এবার হাতে তুলে নাও পরমা এ কাঠগোলাপ; সব পরা ও অপরা, পাতায় পাতায় রচিত মৃত্যুচিন্তা, না ও নার্সিসিজম, বৈশাখ ও বিকেল, বৃষ্টি কিংবা ভোর।

 

বিপ্রতীপ
দুরবিন তাকিয়ে আছে চোখের দিকে

 

 

আরোগ্য নিকেতন
আমার নার্সকে একটা শান্ত গভীর নদী বলা যায়। যেরকম আরোগ্য নিকেতন, আঁকাবাঁকা কান্নার স্মৃতি— তেমনি সে মাঝে মাঝে আমার ওপরে ডাক্তারি করে। এমনকি গরম দুধ খেতেও নিষেধ করে আমাকে। শীতকালে নিজেকে সান্ত্বনা দেবার জন্য আমি নাশপাতি ফল বুকে নিয়ে শুয়ে থাকি। ওষুধের প্রতি আমার চিরকাল অনীহা। সে তিনবেলা কান্নাকাটি করে আর বলে আমি যেন বাজার থেকে আস্ত মসলার বাগান কিনে আনি।

মাঝরাতে নার্স এসে আমার গায়ের ওপর শুয়ে পড়ে। তার বুকে আমি শুনি মুহুর্মূহু গুলি ও বোমার আওয়াজ। আমার নার্স যুদ্ধ আর যুদ্ধের গল্প ভালোবাসে। আমি নিরক্ষর লোক, রংধনুর সাত রঙের নাম বলতে হিমশিম খাই। আপাতত আমার ক্রিস্টাল বিক্রেতা বৃদ্ধ আর ভাগ্যান্বেষী বালকের গল্পই সম্বল। মসলা-বাগানের বদলে আমি কিনে আনি শান্ত নদীর উপপাদ্য, যাতে শুধু পেন্সিল উপচানো কান্না ধরে গান ধরে স্বপ্ন ধরে আর কুয়াশা। নার্স ঘুমিয়ে পড়লে আমি জনাকীর্ণ ক্লিনিক হয়ে জেগে থাকি। একেকবার চোখের পাতা ফেলতেই অজস্র রঙিন প্রজাপতি।আমি ঘুমিয়ে গেলে নার্সকে দেখি পাকা গমক্ষেতে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে উড়িয়ে দিচ্ছে লাল-নীল বোতাম। মুহূর্তে সেগুলো ক্রিস্টাল হয়ে মেষপালক-রাখালের দিকে ছুটে যাচ্ছে।

 

মাধুর্য
আমাদের সকল অপরাহ্ণের শেষে
একটি বিস্মৃত তুলোবন
এক আকাশ হাওয়া
এক পশ্চিম মেঘ
একটি হাতঘড়ি
একটি ঝাউগাছ
একটি মেলট্রেন
একটি পাউরুটি
একটি সকাল
একটি মাধুর্য
একটি মৃত্যু
একটি মা

ব’সে থাকে অথবা 
হেঁটে যায়
অপর কোনো
তুলোবীজ
মেঘ-হাওয়া
রুটিগল্প
বা মাধুর্যের
দিকে

 

 

নদীস্বপ্ন, নির্জন গান
সন্ধ্যাবেলার কাছে গেলেই নদী ঘনিয়ে আসে। কাগজের নৌকা ভাসাতাম জলে। এখন নৌকায় ভাসিয়ে দিলাম আস্ত নদী। কোনো নাম বা অস্তিত্ত্ব নেই এমন নদীর স্বপ্নে অনন্তকাল জেগে থাকি। ভাসিয়ে দিতে পারি ফর্সা কাগজের নৌকা, আমাদের গান্ধর্ব বিবাহ, রঙিন ক্রিস্টালের স্মৃতি।

কঠিন শিলার মতো যদি অজস্র মিথ্যা ছুটে আসে আমি আর কোন নান্দনিক সাপ হবো? এখানে আছে নীলাভ পাখির গান, উজ্জ্বল আলোর সন্ন্যাস আর যুদ্ধের বীজমন্ত্র। এই বিদ্রোহ-বৃষ্টির নৈশগান কেউ কি শুনতে পায়? চেনে কি জলের রঙ? একটা নদীর ধ্যানে কত আমি ঘর বন্ধ করে থাকবো? এ গ্রহে সব নক্ষত্র ঝ’রে যায়। আত্মীয়-পাখিদের ডানা ঝাপটানোর শব্দকে নিরন্তর বেদনাবৃষ্টি মনে হয়। শেষ তারাবাতি ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো আলো নেই।

কাগজের নৌকা বানানোর ক্ষেত্রে এরকম মিহিন রঙ খুব উপযোগী। নৌকা ভাসানোর জন্য নদী নয়, তীব্রতর স্বপ্নই যথেষ্ট সূর্যাস্তের ভয়ে বহুদিন নদীতীরে যাই না। অন্ধকার ঘরে ব’সে আমি বিবিধ নদী ও সূর্যাস্ত আঁকতে ভালোবাসি। যেসকল গ্রানাইট তোমার নাম লিখে রেখেছে, কোনো শিল্পকলাই তা মুছে দিতে পারে না। অনেক পাথুরে বৃষ্টি পেরিয়ে আমরা এই রাস্তা এসেছি। এতদূর এসে দেখি কিছু কিছু পাথরের ফুলের নামে নাম। তুমি কি কখনো এরকম পাথরফুল দেখেছ? কতটা মাধুর্য ধরে রাখে উদাসীন ফুল?

সন্ধ্যানদীর তীরে বসে ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ পড়বো একদিন। পড়তে-পড়তে অনস্তিত্ব-নদীর স্বপ্নকে ব্যাখ্যা করতে শিখবো। স্বপ্নে দেখি একটি অশ্বমেধ ঘোড়া। দেখি ঘুমিয়ে আছি শঙ্খনদীর পারে। নদীতটে ছড়িয়ে আছে স্বর্ণগোধূলিবেলা। আমি ভুলে গেছি বিকারগ্রস্ত সন্ন্যাসিনীর কাছে গোলাপফুল পৌঁছানোর কথা। ভুলে আছি কৃপা, প্রার্থনা ও গান। প্রাজ্ঞ পাহাড় শেখাবে বলেছিলো প্রেম ও করুণার গ্রাফিতি। বেদনাময়ূর জানে, সৌন্দর্যই জীবনের শেষ কথা না। নীলমাত্রই বেদনা নয়। ফুল যেখানে শেষ, নন্দনের সেখানে শুরু।

 



কবি পরিচিতি

মাহবুব অনিন্দ্য

জন্ম: ডিসেম্বর, ১৯৮৪ জন্মস্থান: পাটেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।

পড়ালেখা: স্নাতকোত্তর (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা)

পেশা: শিক্ষকতা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত বই:  ঘাসফুল অপেরা (২০১৬, চৈতন্য)

সম্পাদনা: আরশিনগর (অনিয়মিত কবিতার কাগজ)


 

লেখা সম্পর্কে মন্তব্য

টি মন্তব্য