home ছবিতা দশম ছবিমেলা | ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ ২০১৯

দশম ছবিমেলা | ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ ২০১৯

দশম ছবিমেলা
আন্তজার্তিক আলোকচিত্র উৎসব, বাংলাদেশ ২৮ ফেব্রুয়ারি—৯ মার্চ ২০১৯
 
 
২০০০ সাল, নতুন শতাব্দীর সূচনাকাল।
 
যখন মন্ত্রী ডেকে পাঠালেন, তখন প্রায় মধ্যরাত্রি। দর্শনীয় ছিলো অবশ্যই, ৬ বছর ধরে আমি আর রবার্ট প্লেজ বহু যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে প্রদর্শনীটি গড়ে তুলেছিলাম, বিষয় ছিলো ১৯৭১-এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। তার যাবতীয় বিকৃতিসহ। সরকার চাইছিলেন একটি স্বাস্থ্যকর সংস্করণ। যুদ্ধ কখনোই পরিচ্ছন্ন ও নিপুণ ঘটনার প্রবাহ হয় না, যাদের নিয়ে যে কেউ পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী খেলতে পারবে, পরিবর্তে তা এমন কিছু যার বিন্দুমাত্র ধারণা না থাকায় প্রস্তুতি নেওয়া যায় না। ক্যামেরার লেন্সের ভিতর দিয়ে যে ইতিহাস ধরা পড়ে আমরা সেই দিকেই লক্ষ্য স্থির রেখেছিলাম, যাদের প্রার্থিত ছিলো অমলিন গরিমা । কিছু ছবিকে বাদ দিতে হবে, মন্ত্রীর অভিমত ছিলো এমনই । সেন্সরের কাছে অধীনতা স্বীকারে অনাগ্রহী থাকায় আমরা প্রদর্শনীটি সরিয়ে নিয়েছিলাম । জাতীয় জাদুঘর থেকে মধ্যরাত্রে প্রতিলিপি বের করে নিয়ে যাওয়ার কাজটি কার্যক্ষেত্রে ততটাই দুঃসাধ্য, যতটা মৌখিকতায় প্রকাশ সম্ভব । যে যুদ্ধ আমরা বিস্মৃত হয়েছি সেই ঘটনার উপর তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ চিত্রসাংবাদিকদের কাজ ছিলো । ডন ম্যাকুলিন, রঘু রাই এবং অনান্যদের কিছু মূল কাজের সঙ্গে ।
 
এটি আমাদের উদ্বেগ অনেক বাড়িয়েছিলো । পরবর্তী দিনে দুপুর তিনটেয় উদ্বোধন নির্দিষ্ট হয়ে থাকা একটি বিপুল প্রদর্শনীর পরিবর্ত স্থান নির্ধারণ করা একটি অতি সামান্য সূত্রে, যা আমাদের বাস্তবে করতে হয়েছিল । জাতীয় জাদুঘরের প্রদর্শনীটি ছবিমেলার উদ্বোধনের দিনে শূন্য ছিলো কিন্তু তা থেমে যায়নি। আমরা এটিকে স্থানান্তরিত করেছিলাম ।
 
ছবিমেলা নিরবিচ্ছিন্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে চলেছে যেভাবে এটির সূচনা হয়েছিলো ক্ষমতার কাছে অনমনীয় থেকে ।
 
এভাবেই আমরা এটি করে চলেছি। সমস্ত প্রতিকূলতার বিপক্ষে, ঝড়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, যেখানে প্রবল বিপক্ষ হাওয়া আমাদের মুখে এসে ঝাপটা দিয়ে যায়। আর আমরা এটিকে পরিধান করে থাকি কাঁটার মুকুটে পরিহিত আদরের পালকের মতো করে। নৈরাজ্যের সড়কে আইন-শৃঙ্খলার তুমুল পতনে দাঁড়িয়ে, সেনাবাহিনীর আশীর্বাদপুষ্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েও। অচিন্তনীয় বাজেটে, ফুটবল মাঠ আর ভ্রাম্যমাণ ভ্যানগাড়িতে করেও প্রদর্শনী করেছি। অসম্ভব উচ্চাশী এসব প্রদর্শনীর মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবী ঢাকায় এসেছে আর ঢাকাও বিশ্বব্যাপী প্রসারিত হয়েছে । সরাসরি সম্প্রচার আর অন্তর্জালে প্রদর্শন দুনিয়ার সব জায়গার দর্শককে সম্পৃক্ত হতে নিশ্চিত করেছে । আমরা আনন্দও কুড়িয়েছি । সারারাত নাচানাচির পর নৌবিহারে চাঁদপুর থেকে ফেরা, শীতের কুয়াশার ভোরে কম্বলের মধ্যে কাঁপতে কাঁপতে পূব আকাশের কমলাকে চোখের ভিতর ধারণ অবশ্যই বহু রোমান্টিকতার ফুরসৎ দিয়েছে। 
 
উনিশ বছর পেরিয়েও এই উৎসব থেকে গেছে শিল্পের আবদ্ধতা থেকে বহু দূরে । অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে কুশলীদের নিয়ে তত্বাবধায়ক গোষ্ঠী ক্রমশঃ বেড়েছে । তারা তাদের সঙ্গে নিয়ে এসেছে নতুন উপলব্ধি, খুলে গেছে নতুন দিগন্ত। পূর্বতন শিক্ষার্থীরা, যারা এখন শিক্ষক, তত্বাবধায়ক আর পর্যবেক্ষক, তারাই চালকের আসন গ্রহণ করেছে ।
 
আমরা অনেক কিছুই গ্রহণ আর পরিমার্জিত করেছি, সুরক্ষার অভিযোগ জানিয়েছি যখন রাষ্ট্রপ্রধান অষ্টম ছবিমেলা উদ্বোধন করেছেন, কিন্তু অদ্যাবধি কখনোই আমরা সম্পাদনার স্বাধীনতার সঙ্গে সমঝোতা করিনি । চারুকলা, ধারণামূলক কাজ, আর বহু শৃংখলময় অনুশীলন চিত্রসাংবাদিকতার লাগোয়া এগিয়েছে। তথ্যচিত্রের আতুর ঘর হিসাবে এই প্রদর্শনী সুপরিচিত হয়ে উঠেছে । সদ্যোত্থিত ছাত্রদের নাম ঘর-গৃহস্থালির পরিচিত বিখ্যাতদের সঙ্গে দেওয়াল শেয়ার করেছে । পরিত্যক্ত থিয়েটার, নদী তীরবর্তী প্রাসাদ আর শুভ্র চতুষ্কোনের পরিসরেরা সহাবস্থান করেছে চাক্ষুষ শিল্পের আকীর্ণতার সঙ্গে ।
 
চিত্র উৎসবের নির্মাণ প্রণালীটি অতুলনীয় । এখানে বিশাল ভোজ সভার একটিই টেবিলে অভিজাত প্রদর্শন গরম ঝোলের সঙ্গেই পরিবেশিত হয় ।
 
যখন সময় ছিলো উত্তাল, আমাদের স্পর্ধারা আমাদের থেকে শ্রেষ্ঠ কাজ আদায় করে নিয়েছে, আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার অবাস্তবতাকে প্রত্যাখান করেছে, আমাদের সম্পদের অনটনকে গ্রাহ্য করেনি, আমরা জোর দিয়েছি চিন্তা আর অমতের উপর, অতিষ্ঠ করেছি ভাবমুর্তিদের। এই সব কিছুই এই চিত্র প্রদর্শনীটির চরিত্র নির্মাণ করেছে । আমরা এভাবেই স্রোতের উজানে বইবো, আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে, ক্ষমতাশালীদের ক্রোধ আরও উৎসারিত হবে, প্রতিষ্ঠানিক ধারণা আরো বাধাপ্রাপ্ত হবে কিন্তু আমরা ঝুঁকবো না, মাথা নত করবো না । আমাদের শিল্প অচলায়তনে বদ্ধ থাকবে না, ঝোড়ো হাওয়ার রূপে তা ছড়িয়ে পড়বে পথে ঘাটে ।  মোদ্দা কথাটি হলো, আমরা এখানে থাকতে এসেছি ।
 
-শহীদুল আলম, উৎসব পরিচালক, ঢাকা
 
(অনুবাদ: সোনালী চক্রবর্তী)



Photo by Omar Imam


Chobi Mela X

International Festival of Photography, Bangladesh 
 28 February – 9 March 2019

It was the year 2000. The new millennium.

When the minister called, it was close to midnight. Spectacular as it was, the show Robert Pledge and I had painstakingly put together over six years, showed the Bangladesh 1971 war as it was. Warts and all. The government wanted a sanitized version. That wars were never neat and tidy events with everyone playing by the book, was something they weren’t prepared to consider. History as seen through the lens was what we were after, they wanted untainted glory. Some pictures had to go, said the minister. Unwilling to submit to censorship, we pulled the show. Taking prints out of a national museum at midnight is easier said than done. The War We Forgot had work by the finest photojournalists of our time, with originals by Don McCullin, Raghu Rai and other greats. This increased our concern. Finding an alternative location for a massive show scheduled to open at 3 pm the next day, was a minor detail. The national museum gallery stayed empty on the opening day of Chobi Mela I, but the show did go on. We had pulled it off.

Chobi Mela continues the way it began. Unyielding to power.

That is how we’ve always done it. Against the odds, facing the storm, with the wind against our face. And we’ve done it with panache. Despite violence in the streets and a total breakdown of law and order, despite a military caretaker government, with shows in football fields and mobile rickshaw vans, with ridiculous budgets and outrageously ambitious exhibits, the world has come to Dhaka and Dhaka has gone to the world. Live-streaming and open-air shows made sure no one would be excluded. We had fun too. Boating back from Chandpur after dancing all night, huddling in blankets in the cold foggy winter morning watching an orange orb in the east, must surely have led to many a romance.

Nigh twenty years on, the art has been far from static. The curatorial team grew to take on practitioners from other fields, bringing with them other sensibilities and opening new doors. Former students, now teachers, curators and art managers, took to the driving seat. They straddled the vigor of youth with the professionalism of the workplace. We adapted and improvised, beefing up security when the president opened Chobi Mela VIII, but never, ever, did we compromise on editorial freedom. Fine art, conceptual work, and multidisciplinary practice adjoined the cutting-edge photojournalism and documentary practice the event had become known for. Household names shared walls with emerging students. Derelict theatres, palaces by the river, and white cube spaces all coexisted in the lively stew of the visual arts

recipe of a photo festival like no other. Cordon bleu presentations and hot broth interventions were served on the same rumbustious table.

When times have been turbulent, our audacity got the better of us. Refusing to accept the impossibility of our ambitions or the paucity of our resources, we stuck our necks out, often inciting the wrath of the powerful. That insistence on the freedom to think and disagree, to unsettle with images, has characterized Chobi Mela. We shall swim upstream, sail against the wind, buck the trend. We shall remain unbowed. Our art will not be bound by pristine walls but spill out in stormy nights and onto busy streets. Above all, we are here to stay.

Shahidul Alam, Festival Director Dhaka, February 2019 



ছবিমেলা ঘিরে থাকছে নানারকম আয়োজন। যাতে শিল্পানুরাগী আত্মাকে পরিপর্ণ করার সকল রসদ আছে। কনটেম্পরারি আর্ট এবং আর্টিস্টের কাজ সম্পর্কে জানার সঙ্গে তাদের চিন্তা-দর্শনের সঙ্গেও পরিচিত হবার সুযোগ থাকবে। এশিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আলোকচিত্র উৎসব ছবি মেলার দশম আয়োজন শুরু হচ্ছে আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি। পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইন্সটিটিউট থেকে এক উদ্বোধনী র‍্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে, ছায়ানট অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে উৎসবটির উদ্বোধন করা হবে।

Photo by Mustafa Zaman

এবারের ছবিমেলার মূল প্রতিপাদ্য ‘স্থান উৎসবের মূল কিউরেটররা হলেন এএসএম রেজাউর রহমান, মুনেম ওয়াসিফ, সরকার প্রতীক এবং তানজিম ওয়াহাব। তাদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত কিউরেটরদের তত্ত্বাবধায়নে ছবিমেলার দশম সংস্করণ হতে যাচ্ছে অনেক বেশি অন্তরঙ্গ। উৎসবের সকল প্রদর্শনীস্থলই ধানমন্ডি ও এর আশেপাশের এলাকায়। পান্থপথে নির্মাণাধীন দৃক-পাঠশালা ভবনটি হবে উৎসবের মূল প্রদর্শনীস্থল এবং সেইসাথে অন্যান্য গ্যালারি হিসেবে থাকছে ধানমন্ডি ও পান্থপথে অবস্থিত দৃকের দু’টি গ্যালারি, গ্যেটে ইন্সটিটিউট, জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যাপীঠ, বৃত্ত আর্ট ট্রাস্ট এবং আলিয়ঁস ফ্রঁসে দো ঢাকা। বিভিন্ন আর্টিস্ট টক, প্যানেল আলোচনা এবং কিউরেটেড স্লাইডশো’র আয়োজন থাকছে গ্যেটে ইন্সটিটিউটে। আলিয়ঁস ফ্রঁসে দো ঢাকাতে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে নির্বাচিত অসাধারণ কিছু চলচ্চিত্র। পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইন্সটিটিউট থাকছে শিক্ষা বিষয়ক ভেন্যু হিসেবে, যেখানে কর্মশালা এবং পোর্টফোলিও রিভিউয়ের আয়োজন করা হচ্ছে।

ছবিমেলার এবারের কর্মসূচীর মধ্যে আছে ২১টি দেশের ৪৪জন শিল্পীর কাজ নিয়ে ৩৩টি প্রদর্শনী।  ভিন্নমাত্রার এই প্রদর্শনীগুলোর মধ্যে রয়েছে আমেরিকান ডক্যুমেন্টারি আলোকচিত্রী সুজান মেইসেলাসের ১৯৭০ দশকের শেষের দিকের নিকারাগুয়া বিপ্লবের উপর ভিত্তি করে ‘নিকারাগুয়া ইন টাইম’; ‘আর্কাইভস অফ পারসিস্টেন্স’–  বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি, কাশ্মীর ফটো কালেকশন, জাগ ছবি কালেকশন ও বুর্জ আল-শামালী কালেকশন প্রকল্পগুলোর সমন্বয়ে এক ধারাবাহিক আয়োজন, যেগুলো উঠে এসেছে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব ও অবস্থান্তরের জায়গা থেকে; এবং এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন আর্কাইভের সৃজন, সংকলন, স্মরণ, আক্ষরিক অস্তিত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর। উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শনীগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশের কিংবদন্তী আলোকচিত্রী প্রয়াত রশীদ তালুকদারের কাজ নিয়ে রশীদ তালুকদার (১৯৩৯২০১১): লাইফ ওয়ার্ক’। প্রদর্শনীটি থাকছে বাংলাদেশী মানুষের স্বাধীনতার ইতিহাসের এক অমুল্য ও চাক্ষুষ দলিল হিসেবে – যেখানে রয়েছে ১৯৫০’র শুরুর দিকের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১’র স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার ছবি এবং সেইসাথে আরও অনেক সাধারণ মানুষ ও জীবনযাত্রার ছবি।

A mutilated head, in Rayer Bazar brick field, where the nation’s finest intellectuals were murdered, by the Pakistani army with the help of their collaborators (razakars). Dhaka, Bangladesh. December 16, 1971. Photo by Rashid Talukdar.

উৎসবে আয়োজন করা হয়েছে বিশ্বজুড়ে থাকা বিশিষ্ট আলোকচিত্র অনুশীলনকারীদের নিয়ে ৮টি কর্মশালার। আলোকচিত্র থেকে ফটো-বুক, ডকুমেন্টারি চলচ্চিত্র থেকে ট্রান্সমিডিয়া ভিজ্যুয়াল বিবরণীসহ বিভিন্ন বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই কর্মশালাগুলোতে। বিশিষ্ট লেখিকা অরুন্ধতী রায়, বিশ্বখ্যাত জার্মান প্রকাশক ও বুকমেকার গেরহার্ড স্টাইডল, ভারতীয় বাঙালি গায়িকা, গানলেখিকা ও সঙ্গীত গবেষক মৌসুমি ভৌমিক, খ্যাতিমান ভারতীয় আলোকচিত্রী ও ফটো-সাংবাদিক রঘু রাইসহ আরো অনেকের সঙ্গে থাকবে ১০টির বেশি আর্টিস্ট টকের আয়োজন।

দশম ছবিমেলায় এবছর স্থান-ভিত্তিক শিল্পকর্ম সৃষ্টি করতে ১৩ বাংলাদেশী শিল্পীকে ‘ফেলো’ হিসেবে  নির্বাচিত করা হয়েছে। এবারের বিষয় ‘স্থান’কে আরও বিশদভাবে অনুসন্ধানের জন্য – চিত্রকর্ম, অংকন, অ্যানিমেশন, স্থাপত্য, ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, ভিডিও, সাউন্ড এবং ইন্সটলেশনসহ নানান মাধ্যমের শিল্পীরা তাঁদের মাধ্যমের সম্ভাবনার প্রসার  এবং প্রকাশের ভাষাকে পরীক্ষা করছেন। এই কাজগুলোর তত্ত্বাবধায়নে নির্দেশনা ও পরামর্শ দিচ্ছেন আমন্ত্রিত কিউরেটর জিহান করিম

সংখ্যাগুরু বিশ্বের (এশিয়া,আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা ইত্যাদি) স্বল্প-পরিচিত শিল্পীদের পরিচিতি ও উপস্থিতিকে শক্তিশালী করে তাঁদের পরিবর্তন ও সাফল্যের পথে কাজ করার জন্য সাহায্য করা ছবিমেলার লক্ষ্য। ইতোমধ্যেই ছবি মেলার নবগঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির, নেপালি প্রকাশক, লেখক ও সম্পাদক কুন্দা দীক্ষিত, ভারতীয় আলোকচিত্রী রঘু রাই, অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান, সাহিত্য সমালোচক, কর্মী ও ইতিহাসবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং মানবাধিকারকর্মী ও বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল

রিকশাভ্যানে করে ভ্রাম্যমান প্রদর্শনী ছবি মেলার ‘ট্রেডমার্ক’ হয়ে উঠেছে, যার  ফলে উৎসবে সর্বসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। পাঠ্য স্বাক্ষরতার নিচে থাকা মানুষের মতামতের মাধ্যম তৈরি করে দিতে এই প্রদর্শনী ঘুরে বেড়ায় ঢাকা শহরের সর্বত্র, আনাচে-কানাচে, পৌঁছে যায় সকলের কাছে। এবারের উৎসব চলছে ৯ মার্চ ২০১৯ পর্যন্ত এবং থাকছে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবেন যে কেউ।

সকল আয়োজনের বিস্তারিত জানতে নিচে দেয়া ওয়েব লিংক ভিজিট করুন।

http://www.chobimela.org

http://www.chobimela.org/schedule

http://www.chobimela.org/exhibitions/

http://www.chobimela.org/workshop

http://www.chobimela.org/portfolio-reviews-3

http://www.chobimela.org/film-screening

লেখা সম্পর্কে মন্তব্য

টি মন্তব্য